রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে এ ধরনের উদ্যোগ দেশের অন্যান্য এলাকায় সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

আজ শনিবার দুপুরে কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা জানান।

সরকারের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ ও সার উৎপাদনের যে কার্যক্রম চলছে, তা দেশের অন্যান্য এলাকায় কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সে বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। বর্জ্যকে শুধু অপসারণ না করে বিদ্যুৎ ও জৈব সার উৎপাদনের মাধ্যমে সম্পদে রূপান্তর করতে চায় সরকার। আমরা বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও সার উৎপাদনের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে চাই।’

এর আগে প্রতিমন্ত্রী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি ব্লকে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর পরিচালিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প পরিদর্শন করেন।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, ক্যাম্প থেকে সংগৃহীত প্লাস্টিক বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে প্রায় ৭০ কিলোওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। পাশাপাশি প্রকল্পের ছাদে স্থাপিত সৌর প্যানেল থেকেও বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে।

গত ১৮ আগস্ট প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে প্রকল্পটি প্রতিদিন প্রায় ছয় ঘণ্টা চালু থাকে। একই প্রকল্পে সংগৃহীত অন্যান্য বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে জৈব সার তৈরি করা হচ্ছে। উৎপাদিত সার রোহিঙ্গাদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।