প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২১:৩৭ | আপডেট: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২১:৩৯

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে আন্তঃক্যাডার বৈষম্য দূর করে মেধাভিত্তিক ও পেশাদার সিভিল সার্ভিস গঠনের দাবি জানানো হয়েছে। এর অংশ হিসেবে উপসচিব (ডিএস) পুলে নিয়োগের ক্ষেত্রে সব ধরনের কোটা বাতিল এবং প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে সংশ্লিষ্ট ক্যাডারের অভিজ্ঞ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের নীতিনির্ধারণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন ক্যাডারের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তারা।

আজ শনিবার রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষি গবেষণা কাউন্সিল অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব দাবি জানান। আন্তঃক্যাডার বৈষম্য নিরসন পরিষদ ও বৈষম্যবিরোধী অবসরপ্রাপ্ত ২৫ ক্যাডার সমন্বয় পরিষদ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি জয়নুল আবদিন ফারুক, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল এবং এগ্রিকালচারিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এ্যাব) আহ্বায়ক ড. কামরুজ্জামান কায়সার। বক্তারা বলেন, রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাতে নীতি প্রণয়ন, পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট খাতের পেশাজীবী কর্মকর্তাদের হাতে থাকা উচিত। পেশাভিত্তিক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ক্যাডারের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো গেলে জনসেবার মান বাড়বে। একই সঙ্গে সিভিল সার্ভিসে সমান সুযোগ, জবাবদিহি ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

তারা আরও বলেন, বিভিন্ন সময়ে প্রশাসনিক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলেও একটি ক্যাডারের অসহযোগিতার কারণে তা সফল হয়নি। সিভিল সার্ভিসকে কার্যকর করতে সব ক্যাডারের মধ্যে সমতা ও সমন্বয় নিশ্চিত করা জরুরি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা ডিএস পুলে নিয়োগের ক্ষেত্রে সব ধরনের কোটা বাতিল করে মেধা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও পেশাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে কর্মকর্তাদের পদায়নের দাবি জানান। তাদের মতে, একটি ক্যাডারের জন্য বিশেষ সুবিধা রেখে অন্য ক্যাডারকে পিছিয়ে রাখলে আন্তঃক্যাডার বৈষম্য আরও বাড়বে।