প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও ভেরিফিকেশনের নামে বাদ পড়া পরীক্ষার্থীদের কারণ জানানো এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আপিলের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে তিনি এ দাবি জানান। তিনি বলেন, ভেরিফিকেশনের নামে উত্তীর্ণ তরুণদের বাদ দেওয়া চরম বৈষম্যমূলক, অন্যায্য ও অন্যায় সিদ্ধান্ত।

সাদিক কায়েম বলেন, যে তরুণকে বাদ দেওয়া হয়েছে তিনি নিজেই জানেন না কেন তাকে বাদ দেওয়া হলো। বাদ পড়াদের অধিকাংশের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা, কোনো অপরাধে অভিযুক্ত হওয়ার রেকর্ড বা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ২৯ নম্বর ধারা অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে সুযোগের সমতা প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। অথচ কোনো সুস্পষ্ট কারণ না দেখিয়েই শত শত মেধাবী তরুণের স্বপ্ন ধূলিসাৎ করে দেওয়া হয়েছে।

সাদিক কায়েমের অভিযোগ, সরকারি চাকরিতে দলীয়করণ এবং ভেরিফিকেশনের নামে নিয়োগ বাতিলের এই প্যাটার্ন বর্তমান সরকার ‘ফ্যাসিবাদী আমল’ থেকে ধার করেছে। তার মতে, এটি সেই কাঠামোরই পুনরাবৃত্তি, যেখানে মেধা ও যোগ্যতার চেয়ে পরিচয়, আনুগত্য ও রাজনৈতিক বিবেচনাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, আজ একজন তরুণকে তার যোগ্যতার ভিত্তিতে নয়, ভেরিফিকেশনের মতো অস্পষ্ট প্রক্রিয়ায় চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। কাল একই ভয় দেখিয়ে একটি পুরো প্রজন্মকে নতজানু করে রাখার চেষ্টা করা হতে পারে। বাদ পড়া প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর বিষয়ে পুনঃসিদ্ধান্ত নেওয়ারও দাবি জানান তিনি।