প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২০:৫৮ | আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২০:৫৯
রাণী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও শিক্ষা কমিটির আহ্বায়ক চন্দ্রা চাকমা। সুহৃদ সমাবেশের রাঙামাটি শাখার সভাপতি ও সমাজকর্মী মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাণী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রণতোষ মল্লিক, রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি আনোয়ারুল হক, রাঙামাটি রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি সুশীল প্রসাদ চাকমা, শিক্ষক শিমা দেওয়ান।
প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন রাঙামাটি বিএম ইনস্টিটিউটের উপাধ্যক্ষ আনন্দ জ্যোতি চাকমা, রাঙামাটি পাবলিক কলেজের প্রভাষক মুকুল কান্তি ত্রিপুরা, নারী নেত্রী নুকু চাকমা, টিআইবির রাঙামাটির এরিয়া ম্যানেজার বেনজিন চাকমা, সাংবাদিক ও গবেষক হিমেল চাকমা ও হেফাজত বারী সবুজ।
এর আগে, সকালে জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু হয়। পরে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন রাণী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রণতোষ মল্লিক। স্বাগত বক্তব্যে দেন দৈনিক সমকালের রাঙামাটি অফিসের স্টাফ রিপোর্টার সত্রং চাকমা। অর্ধ দিবসব্যাপী খুদে বির্তাকিতদের তীব্র প্রতিযোগিতাপূর্ণ বিতর্কের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। পরে চ্যাম্পিয়ান ও রানার্স-আপ দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এতে জেলা পর্যায়ের চ্যাম্পিয়ান হয় মোনঘর রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এ দলে ছিল কুসুম লতা চাকমা (দল নেতা), কুইন চাকমা, মায়া মারমা এবং রানার্স-আপ দলে ছিল রাঙামাটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় দলের শিরীন আহমেদ (দল নেতা), শ্রীপর্ণা চাকমা ও শ্রেষ্ঠ চাকমা। তাদের হাতেও প্রধান অতিথি সনদপত্র ও ক্রেস্ট তুলে দেন। অন্য ছয়টি বিদ্যালয় থেকে অংশগ্রহণকারী বিতার্কিতদের হাতেও সনদপত্র তুলে দেন অতিথিরা।
বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া দলগুলো হল- লেকার্স পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, সাপছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়, রাঙামাটি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, রাণী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়, ভেদভেদী পৌর উচ্চ বিদ্যালয়, মুজাদ্দেদ-ই-আলফেসানী উচ্চ বিদ্যালয়, মোনঘর রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও রাঙামাটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ ও যুক্তি-তর্কে, পাল্টা চুক্তি ও সহপাঠীদের করতালির মাধ্যমে উৎসবটি প্রাণবন্ত হয়ে উঠে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য চন্দ্রা চাকমা বলেন, যারা স্কুলপর্যায় থেকে এ বিতর্ক প্রতিযোগিতা করে তারা জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ভালো পর্যায়ে চলে যায়। বিশেষ করে, রাজনীতিতে বা অন্য কিছুতে হোক; একথায় সব কিছুতেই জীবনে ভালো স্থানে পৌঁছে যেতে আমি দেখেছি। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া শিক্ষার ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্ব দিচ্ছেন। বিশেষ করে ই-লার্নিং বিষয়ে। তবে আমাদের সময়ে এই ই-লালিংয়ের সুযোগ পায়নি। যা বর্তমান শিক্ষার্থীরা সেই সুযোগ পাচ্ছে।