কাজী নজরুল ইসলাম বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও ভালোবাসা ও বিরহ নিয়ে তাঁর গল্প, উপন্যাস বা নাটকের কমতি নেই। এমনই এক ভালোবাসা ও বিচ্ছেদের সংমিশ্রিত গ্রন্থের নাম ‘শিউলিমালা’।
নামগল্পে আমরা দেখতে পাই, এক দাপুটে দাবা খেলোয়াড় একজন ভালো প্রতিপক্ষ খুঁজতে খুঁজতে কীভাবে জীবনে আশ্বিনের শেষে একটি নিষ্পাপ শিউলিফুলের সন্ধান পান। এ–ও দেখা যায়, ভালোবাসা মানুষকে কীভাবে পরিবর্তন করে অন্য এক সত্তায় পরিণত করে। গল্পটিতে যেমন ভালোবাসার রেশ পাওয়া যায়, তেমনি যত শেষের দিকে এগোতে থাকে, ততই বিরহের সুর ধ্বনিত হয়। পরিশেষে আশ্বিনও শেষ হয়, তবে শিউলিফুল রয়ে যায় বা জলে ভেসে যায়।
পাঠচক্র শেষে মুরারিচাঁদ কলেজ ও শাবিপ্রবি বন্ধুসভার বন্ধুরা।বন্ধু সাবিনা আক্তার বলেন, কাজী নজরুল ইসলামের প্রতিটি লেখা পড়লে মনে হয় যেন তাঁর জীবনে ঘটে যাওয়া কিংবা চিন্তাভাবনা, কল্পনা যেন বাস্তবে রূপ পেয়েছে। তাই ভালোবাসা হোক বা বিরহ, নজরুল সব সময়ই তাঁর লেখায় চূড়ান্ত পর্যায়ের সৌন্দর্য বজায় রাখেন।’
বন্ধু মেহেদী জাকারিয়া বলেন, ‘প্রেমের এক সুন্দর দিগন্ত আমাদের প্রত্যেকের জীবনে উঁকি দেয়। সেই দিগন্তের শেষ পূর্ণতায় নাকি বিরহ, তা জানা অসম্ভব। “শিউলিমালা” পড়তে গেলেই বারবার মনে হয় এমন কতশত আজহার ও শিউলি আমাদের আশপাশেই কোথাও না কোথাও আছে; আর এভাবেই কোথাও রচিত হচ্ছে ভালোবাসার গল্প কিংবা বিরহের গল্প।’
উপস্থিত অন্য বন্ধুরাও ‘শিউলিমালা’ গল্পের খণ্ড খণ্ড অংশ পাঠ ও নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। পাঠচক্রে আরও উপস্থিত ছিলেন বন্ধু রুহুল, তামান্না, ইয়ারমিন, সামিয়া, জনি, প্রজ্ঞা, জান্নাত, সনি, চাঁদমনি, মনোয়ার, জোনাকি, ঋত্বিক, দুর্জয়, রাজিম, সামিরা, নাজমুল, সুমা, মুস্তাকিম, তাওহীদ, মারুফসহ অন্য বন্ধুরা।
পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক, মুরারিচাঁদ কলেজ বন্ধুসভা