সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬Loginবন্ধুদের লেখাকার্যক্রমফিচারখেলাক্যারিয়ারমনোবন্ধুফটো ফিচারবন্ধুসভা সম্পর্কে ফিচারপডকাস্ট কীভাবে শুরু করবেনপ্রথম আলো বন্ধুসভা ও অল ব্রডকাস্টার্স কমিউনিটির (এবিসি) যৌথ উদ্যোগে অনলাইনে চলছে উপস্থাপনাবিষয়ক বিশেষ কর্মশালা। ‘প্রেজেন্টেশন অ্যান্ড বিয়ন্ড’ শিরোনামে কর্মশালার তৃতীয় সেশন অনুষ্ঠিত হয় ২৩ সেপ্টেম্বর। এতে ‘পডকাস্ট সঞ্চালনা’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন স্ক্যান মিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ও পডকাস্ট হোস্ট সামির আহমেদ। এই লেখা তাঁর বক্তব্যের প্রতিলিপি। সঞ্চালনা করেন বন্ধুসভা জাতীয় পর্ষদের প্রশিক্ষণ সম্পাদক ফারহান সাকিব।
সামির আহমেদপডকাস্ট নিয়ে আমার জার্নি শুরু হয় নিজের শো করার অনেক আগেই। ২০২২ সালের শেষের দিকে অস্ট্রেলিয়া থেকে বাংলাদেশে আসি। তখন দেশে একটি প্রোডাকশন হাউস শুরু করি। ২০২৩ সালের মার্চের দিকে প্রায় চার-পাঁচজনের একটি ছোট টিম নিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু। টিমে ছিলেন সিনেমাটোগ্রাফার, প্রজেক্ট প্ল্যানারসহ আরও কয়েকজন।
তখন আমার বয়স মাত্র ২০ বছর। কাজের পরিসরও খুব বড় ছিল না। মূলত চেষ্টা করছিলাম কীভাবে এজেন্সিটাকে ধীরে ধীরে আর্থিকভাবে দাঁড় করানো যায়।
পডকাস্টের সম্ভাবনা যেভাবে দেখলামঅস্ট্রেলিয়ায় থাকার সময় দেখেছি, সেখানে পডকাস্ট সংস্কৃতি অনেক আগে থেকেই বেশ জনপ্রিয়। অনলাইন ও অফলাইন—দুইভাবেই মানুষ পডকাস্ট করত। অনেক পডকাস্ট স্টুডিও সেটআপ করে, ক্যামেরা দিয়ে শুট করা হতো।অন্যদিকে, বাংলাদেশে করোনা মহামারির সময় ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে অনেকটা পডকাস্টের মতো আলোচনা শুরু হয়েছিল। সেলিব্রিটি থেকে শিক্ষক—অনেকেই লাইভে এসে দীর্ঘ সময় কথা বলতেন।
অস্ট্রেলিয়ায় দেখলাম, পডকাস্টকে যদি একটু পরিকল্পিতভাবে অফলাইনে শুট করা যায়, তাহলে এর সম্ভাবনা অনেক বেশি। এক ঘণ্টার একটি কথোপকথন থেকে আমরা অসংখ্য ছোট কনটেন্ট তৈরি করতে পারি। সেখান থেকে তিন মিনিটের ক্লিপ, শর্ট ভিডিও, রিলস—অনেক কিছু বানানো সম্ভব। অর্থাৎ একটি দীর্ঘ কথোপকথনকে ভেঙে অনেকগুলো কনটেন্টে রূপ দেওয়া যায়। এই জায়গাটাই আমার কাছে পডকাস্টের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা মনে হয়েছে।
প্রথম ক্লায়েন্ট ও পডকাস্ট প্রোডাকশনে যাত্রাএখনো মনে আছে, আমাদের প্রথম দিকের ক্লায়েন্টদের একজন ছিলেন ‘টু সেন্টস পডকাস্ট’।আমি এনায়েত ভাই ও খালিদ ফারহান ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তাঁদের বলি, ‘আপনারা কি ভিডিও পডকাস্ট করতে চান? আমার ক্যামেরা ও প্রয়োজনীয় কিছু অ্যাকসেসরিজ আছে। আমরা চাইলে পডকাস্টকে আরও প্রফেশনালভাবে করতে পারি।’তখন নাফিস ভাইও পডকাস্টের সম্ভাবনাটা বুঝতে পেরেছিলেন।