দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে গতকাল বৃহস্পতিবার কমে যাওয়া এলএনজি সরবরাহ আজ শুক্রবার দ্রুত বেড়েছে। গতকাল সন্ধ্যা ৬টায় এলএনজি থেকে ৬৮ কোটি ৬০ লাখ ঘনফুট গ্যাস পাওয়া গেলেও আজ রাত ৮টায় তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৯ কোটি ২০ লাখ ঘনফুটে। অর্থাৎ এক দিনের ব্যবধানে সরবরাহ বেড়েছে ৪০ কোটি ৬০ লাখ ঘনফুট। তবে সরবরাহ বাড়ার সুফল রাজধানীতে তাৎক্ষণিকভাবে পৌঁছেনি।

শুক্রবার দিনভর বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ কম থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন আবাসিক গ্রাহক ও সিএনজিচালকরা।

পেট্রোবাংলার হিসাবে, আজ রাত ৮টায় জাতীয় সঞ্চালন লাইনে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২৬৯ কোটি ৪০ লাখ ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে ১৬০ কোটি ২০ লাখ এবং এলএনজি থেকে ১০৯ কোটি ২০ লাখ ঘনফুট পাওয়া যায়। গতকাল সন্ধ্যা ৬টায় মোট সরবরাহ ছিল ২৩০ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট।

গতকাল মহেশখালীতে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে আমদানিকৃত এলএনজি কার্গো থেকে ভাসমান টার্মিনালে গ্যাস স্থানান্তর ব্যাহত হয়। এতে এলএনজি সরবরাহ নেমে যায় ৬৮ কোটি ৬০ লাখ ঘনফুটে। এর আগের কয়েক দিন সরবরাহ ছিল প্রায় ৯৯ থেকে ১০০ কোটি ঘনফুট।

আবহাওয়া কিছুটা অনুকূলে এলে আজ সকাল সাড়ে ৭টায় সামিটের টার্মিনালে ‘প্যাসিফিক সাকসেস’ কার্গো থেকে জাহাজ-থেকে-জাহাজ পদ্ধতিতে এলএনজি স্থানান্তর শুরু হয়। ইন্দোনেশিয়া থেকে আনা এই কার্গোটি টোটালএনার্জিসের কাছ থেকে স্পট ক্রয়ের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে।

দুপুর ২টায় এলএনজি সরবরাহ বেড়ে ৯১ কোটি ৮০ লাখ ঘনফুটে দাঁড়ায়। এ সময় জাতীয় সঞ্চালন লাইনে মোট সরবরাহ ছিল ২৫২ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে পাওয়া যায় ১৬০ কোটি ৭০ লাখ ঘনফুট।