ইরানের বিমান সংস্থাগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে প্রতিবেশী দেশগুলোকেও পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছে তেহরান। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজাই বলেছেন, যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে সহযোগিতা করবে, সেসব দেশের বিমানবন্দর থেকে ইরানের সঙ্গে আর কোনো ফ্লাইট চলতে দেওয়া হবে না।

ইরানের এই হুমকি এসেছে এমন এক সময়ে, যখন যুক্তরাষ্ট্র দেশটির বিমান পরিবহন খাতকে আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করছে। এরই মধ্যে আজারবাইজান ও জর্জিয়া ইরানের ফ্লাইট স্থগিত করেছে। ইরান থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সব ফ্লাইটও বৃহস্পতিবার বাতিল করা হয়েছে। বাগদাদ ও মাসকাটের ফ্লাইটও বন্ধ রয়েছে। তুরস্ক ও চীনের সঙ্গে কিছু ফ্লাইট চালু থাকলেও বেশ কিছু সংযোগ বাতিল হয়েছে।

কেন এই হুমকি ইরানের বিমান পরিবহন খাতের ওপর চাপ বাড়াতে চলতি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় দেশটির আরও কয়েকটি বিমান সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা মাহান এয়ারের পাশাপাশি মোট ২৭টি ইরানি বিমান সংস্থাকে নতুন করে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, মাহান এয়ারের সঙ্গে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সম্পর্ক রয়েছে।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সতর্ক করে বলেছেন, যেসব বিমানবন্দর বা প্রতিষ্ঠান ইরানি বিমানকে সেবা দেবে, তারাও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে পড়তে পারে। ইরানি বিমানকে জ্বালানি দেওয়া, অবতরণের সুযোগ দেওয়া কিংবা টিকিট বিক্রির মতো সেবাও এর আওতায় পড়তে পারে।

এর ফলে ইরানের আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগ আরও সংকুচিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।