সুনামগঞ্জ জেলা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সভাপতি নুরুল হুদা মুকুট ও সদস্য সজীব রঞ্জন দাসের মালিকানাধীন একটি ফিলিং স্টেশনে তালা ঝুলানোর ১৮ ঘণ্টা পর পুলিশের কাছ থেকে চাবি নিয়ে খোলা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই পেট্রোল পাম্পের ম্যানেজার কাজল দে।
গত বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ফয়সাল আহমদ সাকিলসহ কয়েকজন যুবকের একটি দল এসে ফিলিং স্টেশন থেকে কর্মকর্তা কর্মচারীদের বের করে দিয়ে ফটকে তালা লাগিয়ে দেন। তালা মারার আধা ঘণ্টার মধ্যে কর্মকর্তা কর্মচারীসহ সবাই তেল ও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে ফিলিং স্টেশনের আলো নিভিয়ে সেখান থেকে চলে যান।
এদিক ফিলিং স্টেশনটি বন্ধ হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েন পরিবহন শ্রমিকরা। আগে থেকে বিষয়টি জানতে না পেরে পাম্পে এসে ফিরে যান মোটরসাইকেলচালক ও সিএনজিসহ অন্যান্য গাড়ির চালকরা।
ফিলিং স্টেশনের মালিক সজীব রঞ্জন দাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই ফিলিং স্টেশন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সাবেক ম্যানেজার জুয়েলের সঙ্গে আর্থিক বিষয় নিয়ে টানাপোড়েন আছে। হিসাবের গরমিল থাকা নিয়ে বিচার-সালিশ হলে মালিকপক্ষ ও ম্যানেজারের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। এর জের ধরে গত বুধবার দখলের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মালিকপক্ষ রাতে থানায় জিডি করেছে।
পাম্পের বর্তমান ম্যানেজার কাজল চন্দ্র দে বললেন, গত বুধবার রাতে পুলিশ আমাদের লোকজনকে চাবি ফিরিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। তারা আনেননি। সকালে তাঁকে ফোন দিয়ে থানায় নিয়ে চাবি দেওয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে পাম্প খুলেছি।
গতকাল রাতে শহরের তেঘরিয়ার বাসিন্দা ফয়সাল আহমদ সাকিল বলেন, ‘পাম্পের সাবেক ম্যানেজার জুয়েল মালিকপক্ষের সজীব রঞ্জন দাসের স্বাক্ষর করা চেক দিয়ে টাকা নিয়েছে। এখন টাকা দিচ্ছে না। এ জন্য জুয়েল তালা দিয়েছে। আমি শুধু ওখানে উপস্থিত ছিলাম। পাওনাদার আরও অনেকে ছিলেন সেখানে।’