‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে রোববার থেকে শুরু হচ্ছে বিশ্ব পর্যটন দিবসের সপ্তাহব্যাপী আয়োজন। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এসব কর্মসূচিতে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, ট্যুরিস্ট পুলিশসহ মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন সংস্থা এবং পর্যটন খাতের সরকারি-বেসরকারি অংশীজনরা এতে অংশ নেবেন।
শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে বলা হয়, এবারের প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বাংলাদেশের পর্যটন খাতে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্ভাবনা তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আয়োজকরা জানান, রবিবার সকাল ৯টায় পশ্চিম আগারগাঁওয়ের শেরেবাংলা নগর প্রশাসনিক এলাকার পর্যটন ভবনের সামনে থেকে র্যা লি শুরু হবে। র্যা লির উদ্বোধন করবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী। র্যানলিতে পর্যটন খাতের বিভিন্ন অংশীজন অংশ নেবেন। এতে আবহমান বাংলার জীবনধারা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য ও ঢাকার ঐতিহ্য তুলে ধরা হবে।
সকাল সাড়ে ৯টায় হবে সাইকেল র্যারলি। এরপর সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের উদ্যোগে সিটি ট্যুরের উদ্বোধন করা হবে। এ আয়োজনে সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা গাইডেড ট্যুরের মাধ্যমে ঢাকার বিভিন্ন পর্যটন আকর্ষণ ঘুরে দেখার সুযোগ পাবে।
সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় পর্যটন ভবনের দশম তলার সম্মেলন কক্ষে পর্যটন খাতের অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা হবে। এতে দেশের পর্যটন উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। ৩০ সেপ্টেম্বর একই স্থানে উৎস দেশগুলোর কূটনীতিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিদেশি পর্যটক আকর্ষণ এবং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে পর্যটন বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হবে।
বিশ্ব পর্যটন দিবসের মূল আয়োজন হবে ৩ অক্টোবর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে। দুপুর আড়াইটায় ১২টি বিষয়ভিত্তিক প্রদর্শনী স্টল উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হবে।