ফিফা আসিয়ান কাপে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ফারহান আলী ওয়াহিদকে একাদশে না রাখায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা হয়েছে। এমনকি কোচ থমাস ডুলির সঙ্গে ফারহানের বিরোধ এবং অসন্তুষ্ট হয়ে তার টিম হোটেল ছাড়ার গুঞ্জনও ছড়িয়েছে। তবে এসব খবরকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ কোচ।
বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল টি-স্পোর্টসকে ডুলি বলেন, ‘ফারহান আলী এবং আমার মধ্যে কোনো বিরোধ নেই। অন্তত আমার পক্ষ থেকে তো নয়ই। তার বাবার সঙ্গেও আমার কোনো সমস্যা নেই। তার বাবার সঙ্গে আমার কোনো কথা-কাটাকাটি বা তর্কবিতর্ক হয়নি। এর বাইরে যেসব গল্প ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।’
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ৩-০ গোলে হারের ম্যাচে জাতীয় দলে অভিষেক হয় ইংল্যান্ডপ্রবাসী ফরোয়ার্ড ফারহানের। দ্বিতীয়ার্ধে তাকে তুলে নেন ডুলি। এরপর সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ১-০ গোলে হারের ম্যাচে ফারহানকে মাঠেই নামাননি তিনি। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা আলোচনা।
তবে খেলোয়াড়কে একাদশে রাখা বা বদলি করার সিদ্ধান্তকে কোচের স্বাভাবিক দায়িত্ব হিসেবেই দেখছেন ডুলি। তিনি বলেন, ‘একজন কোচ যখন কোনো খেলোয়াড়কে বেঞ্চে রাখেন বা বদলি করেন, তার পেছনে সবসময়ই কারণ থাকে। হয়তো টানা খেলার কারণে ওই খেলোয়াড়ের বিশ্রামের প্রয়োজন ছিল, হয়তো তার কোনো ইনজুরি আছে, হয়তো সিদ্ধান্তটি কৌশলগত, কিংবা হয়তো তা তার পারফরম্যান্সের কারণে। এর পেছনে অনেক ধরনের কারণই থাকতে পারে।’
ফারহানকে কেন খেলানো হয়নি, সেটি নিয়ে জনসমক্ষে ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলেও মনে করেন ডুলি। তার ভাষায়, ‘দল এবং ফেডারেশনের ভেতরে আমি সবসময়ই নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে খোলামেলা। আমি একটা খোলা বইয়ের মতো, আমার গোপন করার মতো কিছুই নেই।’
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ফারহানকে কেন হাফটাইমে তুলে নেওয়া হয়েছিল, সেই ব্যাখ্যাও দিয়েছেন ডুলি। ‘আর কেন ফারহানকে হাফটাইমে তুলে নেওয়া হয়েছিল তার একটাই কারণ, আর তা হলো পারফরম্যান্স।’