VoiceBD অনলাইন ডেস্ক: নিখোঁজের পর সিসিটিভির ফুটেজ বিশ্লেষণ, ফুফুর কক্ষের বাক্সে মিলল শিশুর লাশ নিয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে এ সংক্রান্ত ঘটনাবলী বিশেষ গুরুত্বের সাথে আলোচিত হচ্ছে।

বান্দরবান সদর উপজেলায় তাইফা সুলতানা (৪) নামে এক শিশুকে হত্যার অভিযোগে তার ফুফু নারগিছ সুলতানাকে (৫২) আটক করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে নারগিছের কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে একটি বাক্সের ভেতর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে নারগিছ হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। সোমবার বিকেলে সুয়ালক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত তাইফা ওই এলাকার টিপু খানের মেয়ে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল থেকে তাইফাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে যান। এ সময় পরিবারের বাড়িতে থাকা সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ দেখতে পায়, নারগিছ সুলতানা শিশুটিকে তাঁর কক্ষে নিয়ে যাচ্ছেন। পরে নারগিছের কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে একটি বাক্সের ভেতর তাইফার মরদেহ পাওয়া যায়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে শিশুটিকে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতের এক আত্মীয় জানান, তাইফার বাবা টিপু খান দীর্ঘ কয়েক বছর বিদেশে ছিলেন। প্রবাসে আয় করা অর্থ দিয়ে ভাই-বোনদের নামে যৌথভাবে জমি কিনে দেন তিনি। দেশে ফেরার পর ভাই-বোনদের সঙ্গে ওই জমি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। প্রায় দুই মাস আগে টিপুর বড় বোন নারগিছ সুলতানা কারাগার থেকে জামিনে বের হন। তাইফার বাবা টিপু খান বলেন, ‘আমার মেয়ের কী অপরাধ ছিল? তাকে এভাবে হত্যা করা হলো। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।’ বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ পারভেজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নারগিছ সুলতানাকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বিশেষজ্ঞ ও দায়িত্বশীল মহল মনে করছেন, এই পরিস্থিতির অগ্রগতি সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে। পুরো ঘটনার ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

VoiceBDNews পাঠকদের জন্য এই ঘটনার সর্বশেষ ও বস্তুনিষ্ঠ সব আপডেট সবার আগে তুলে ধরছে।