গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার জাতিসংঘে ভাষণ দিতে মঞ্চে উঠেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, এ সময় কয়েক ডজন প্রতিনিধি সাধারণ পরিষদের বৈঠক থেকে ওয়াকআউট করেন।

এর জবাবে নেতানিয়াহু তাদের ‘নৈতিক কাপুরুষ’ বলে আখ্যায়িত করেন। এ সময় গ্যালারিতে থাকা তার সমর্থকেরা হিব্রু ভাষায় স্লোগান দেন, ‘ইসরায়েলের জনগণ বেঁচে আছে।’

নেতানিয়াহু তার জাতিসংঘের ভাষণটিকে কাজে লাগিয়েছেন তাকে যুদ্ধাপরাধী বলার জন্য নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানিকে এবং পশ্চিম ইউরোপীয় নেতাদের তিরস্কার করতে। এর পাশাপাশি কাতার ও তুরস্ক উভয়কেই ইসরায়েল সম্পর্কে মিথ্যা ছড়ানোর জন্য অভিযুক্ত করেছেন তিনি।

মেয়র মামদানির উদ্দেশে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আপনারা আমাকে এখানে আসতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। আপনারা আমাকে চুপ করানোর চেষ্টা করেছেন। তবে, আপনারা আমাকে চুপ করাতে পারবেন না। আপনারা সত্যের কণ্ঠরোধ করতে পারবেন না।’

যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম এ শহরটিতে সফর করলে কথিত যুদ্ধাপরাধের দায়ে নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনে প্রচারণা চালিয়েছিলেন মামদানি। তবে পরে তিনি বলেছিলেন যে এটি করার জন্য প্রয়োজনীয় আইনি ক্ষমতা তাঁর নেই বলে তিনি বুঝতে পেরেছেন।

চলতি সপ্তাহে মামদানি নেতানিয়াহুকে ‘ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে এক ভয়াবহ গণহত্যার স্থপতি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। গত জানুয়ারিতে মামদানি দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো নিউইয়র্ক সফরে এসে নেতানিয়াহু বলেন, ‘এখানে একটি সহজ সত্য হলো- ইসরায়েল গণহত্যা চালায়নি। বরং ইসরায়েল গণহত্যা ঠেকিয়েছে।’