প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৮:১২ | আপডেট: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৮:১৪
টেকনাফে শাহপরীর দ্বীপে নাফ নদের বুকে নির্মিত ৫৫০ মিটার দীর্ঘ একটি জেটিকে ঘিরে একটি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠছে। নাফ নদ, বঙ্গোপসাগর, দিগন্তজোড়া আকাশ আর ওপারে রাখাইন রাজ্যের পাহাড় আকর্ষণ করছে পর্যটকদের। তবে, আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও জেটিটি চালু হয়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, টেকনাফ পৌরসভার জালিয়াপাড়ার পূর্ব দিকে সবুজ প্যারাবন ঘেঁষে গড়ে ওঠা টেকনাফ-মিয়ানমার ট্রানজিট জেটিতে দর্শনার্থীদের ভিড়। দর্শণার্থীদের সেখানে ছবি তুলতে এবং ভিডিও বানাতে দেখা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘সেন্টমার্টিনে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল এবং মিয়ানমারের সঙ্গে বাণিজ্য সুবিধা বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকার জেটিটি নির্মাণ করলেও এখনো তা চালু হয়নি। তবে এরই মধ্যে জেটিটি পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন শত শত মানুষ এখানে বেড়াতে আসেন। স্থানীয়দের কাছেও জায়গাটি পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে বেশ পরিচিতি পেয়েছে। ফলে পর্যটন ঘিরে স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।’
নাফ নদে ঘুরতে আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আজিম উল্লাহ বলেন, ‘পাঁচ বন্ধু মিলে এখানে ঘুরতে এসেছি। সমুদ্রসৈকতে অনেকবার গিয়েছি, তবে নাফ নদে এসে একেবারেই ভিন্ন অনুভূতি হচ্ছে। বিশেষ করে নদীর বুক থেকে ওপারে মিয়ানমারের সুউচ্চ পাহাড় দেখার দৃশ্যটি দারুণ উপভোগ করছি।’
এদিকে বঙ্গোপসাগর আর মিয়ানমারের সীমান্ত ঘেঁষে নাফ নদ ও সমুদ্রের শেষ প্রান্তে শাহপরীর দ্বীপের অবস্থান। এ দ্বীপে দৃষ্টিনন্দন নতুন সড়ক নির্মিত হওয়ায় পর্যটনের নতুন দুয়ার খুলেছে। এ ছাড়া দ্বীপে জেটিসহ মেরিন ড্রাইভের টেকনাফ সমুদ্রসৈকতের পাড়ে সারি সারি রঙিন নৌকা, পাহাড় আর সবুজ বেষ্টনী পর্যটকদের দিন দিন আকৃষ্ট করছে।