সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। ছবি-সংগৃহীত

কাউকে খুশি করতে নয়, দেশের প্রয়োজন ও যাত্রীচাহিদা বিবেচনা করেই বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কোনো চাপের কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি এবং এতে কোনো গোপন এজেন্ডা নেই।

সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

হুমায়ুন কবির বলেন, একটি উন্মুক্ত পরিবেশে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই বোয়িং কেনার চুক্তি হয়েছে। বাংলাদেশের চাহিদা বিবেচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঐতিহাসিকভাবেই বাংলাদেশ বোয়িংয়ের বড় উড়োজাহাজ ব্যবহার করে আসছে। তবে আন্তর্জাতিক রুট বাড়ানো এবং বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে মিশ্র বহর প্রয়োজন।

গত ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে বোয়িংয়ের সঙ্গে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। এর আগে গত এপ্রিলে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছিল। নতুন চুক্তির আওতায় পাঁচটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার ও ছয়টি ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজ কেনা হবে। দুই দফায় বিমানের মোট বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সংখ্যা দাঁড়াল ২৫টিতে।

এপ্রিলে করা ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির মূল্য ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকা। নতুন ১১টি উড়োজাহাজের দাম, অর্থায়ন ও সরবরাহের সময়সূচি এখনো প্রকাশ করা হয়নি।