চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে মুনতাছির মারজু নামে এক শিক্ষার্থীকে মারধর করে প্রক্টর কার্যালয়ে নেওয়ার পর হাটহাজারী থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তবে ছাত্রলীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই শিক্ষার্থী।

সোমবার দুপুর ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের এ এফ রহমান হল থেকে মুনতাছিরকে প্রক্টর কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরে বিকেল ৫টার দিকে তাঁকে হাটহাজারী থানায় সোপর্দ করা হয়। মুনতাছির মারজু বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং এ এফ রহমান হলের আবাসিক ছাত্র।

হলের শিক্ষার্থীরা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছাত্রলীগের নেতা আবরার শাহরিয়ারের একটি পোস্টে মুনতাছিরের প্রতিক্রিয়া এবং তাঁদের মধ্যে যোগাযোগের বিষয়টি সামনে আসার পর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে তাঁর মোবাইল ফোনও দেখা হয়।

এ এফ রহমান হল সংসদের যোগাযোগ ও আবাসনবিষয়ক সম্পাদক ও হল শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মো. মাইন উদ্দিন বলেন, সকালে ফেসবুকে আবরার শাহরিয়ারের একটি পোস্টে মুনতাছিরের প্রতিক্রিয়া দেখতে পান তাঁরা। পরে তাঁর সঙ্গে কথা বলে মোবাইল ফোন দেখতে চাইলে তিনি নিজেই ফোন দেন। সেখানে আবরারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের হোয়াটসঅ্যাপ যোগাযোগ ও মেসেঞ্জারে পাঠানো একটি বার্তা পাওয়া যায় বলে দাবি করেন তিনি।

তাঁর ভাষ্য, বিষয়টি হলের দায়িত্বশীলদের জানানো হলে পরে মোনায়েম শরীফ এসে মুনতাছিরকে রিকশায় করে প্রক্টর কার্যালয়ে নিয়ে যান।

ঘটনার সময় উপস্থিত রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাহিন আহমেদ বলেন, মুনতাছিরের ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততা আছে কিনা, তা নিয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী আলোচনা করেন। পরে তাঁকে হলের ছাত্র সংসদ কক্ষে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে মোনায়েম শরীফ তাঁকে প্রক্টর কার্যালয়ে নিতে চাইলে পেছন থেকে দুই-একজন তাঁকে চড়-থাপ্পড় দেন বলে দাবি করেন শাহিন।