জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জড়ো হয়েছেন দেড় শতাধিক দেশের নেতা ও কূটনীতিকরা। আগামী কয়েকদিনে ভাষণ দেওয়ার জন্য ১৯৩ দেশের প্রতিনিধিরা মঞ্চে উঠবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

পরিষদের মঞ্চটি গত কয়েক দশক ধরে আধুনিক কূটনীতির সবচেয়ে আলোচিত কিছু মুহূর্তের সাক্ষী হয়েছে। যেখানে স্নায়ু যুদ্ধের সতর্কবার্তা থেকে শুরু করে আগ্রাসনসহ নানা পরিস্থিতির ওপর আবেদন জানিয়েছেন নেতারা। এমন আলোচিত ৬টি ভাষণ তুলে ধরা হলো।

‘কিউবা একটি পাকা আপেল, যুক্তরাষ্ট্র সেটি খেতে চায়’ জাতিসংঘের ইতিহাসে এখনো দীর্ঘ সময় ধরে ভাষণ দেওয়ার রেকর্ডটি কিউবার প্রয়াত নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর। দিনটি ছিল ১৯৬০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর। এর প্রায় দেড় বছর আগে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত একনায়ক ফুসেন্সিও বাতিস্তার পতন ঘটে। ফিদেলের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠন হয়।

জাতিসংঘের অধিবেশনে নেতাদের জন্য নির্ধারিত সময় ১৫ মিনিট হলেও কাস্ত্রো সেদিন ৪ ঘণ্টা ২৯ মিনিট ধরে ভাষণ দেন। যেখানে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের তীব্র সমালোচনা, স্বৈরাচার শাসকদের সমর্থন দেওয়ার অভিযোগ, লুটপাটের দর্শন, কিউবাকে মার্কিন কলোনি এবং অস্ত্র প্রতিযোগিতাসহ নানা বিষয় উঠে আসে।

ফিদেলের সেই ভাষণের পূর্ণাঙ্গ লিখিত রূপ সংরক্ষণ করা হয়েছে তাঁর নামে চালু করা একটি ওয়েবসাইটে। ইউটিউবেও ভাষণটির অংশ বিশেষ পাওয়া যায়।

১৯৫৯ সালে নিজেদের সমর্থিত সরকার পতনের পর কিউবায় হামলা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। ফিদেল তাঁর ভাষণের শুরুর দিকে বলেন, এই দেশ (যুক্তরাষ্ট্র) থেকে আমাদের বিরুদ্ধে যেসব হামলা হয়েছে, সেগুলোর জবাব দেওয়ার সুযোগ আমাদের নেই। কিন্তু এখানে যখন এসেছি, তখন সত্য তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে। আমাকে সেই সত্যটা বলতেই হবে।