প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২০:২৮ | আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২০:৩২
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিতে বৃহস্পতিবার মঞ্চে উঠবেন। তিনি এর আগে ১৪ বার এই মঞ্চে পা রেখেছেন। এবার সম্ভবত শেষবারের মতো ভাষণ দেবেন।
আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নির্বাচন। এর প্রায় এক মাস আগে নেতানিয়াহুর জন্য ভাষণটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকার গঠনের জন্য নির্বাচনে নেতানিয়াহুর জোটকে ৬১টি আসন পেতে হবে। কিন্তু হিব্রু ভাষার গণমাধ্যম ‘জমান ইস্রায়েল’ এর জরিপ দেখাচ্ছে, জোটটি কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা থেকে অনেক পিছিয়ে আছে।
ভোটের আগে জনমত পরিবর্তনের জন্য নেতানিয়াহুর সামনে খুব বেশি সুযোগ নেই। তাই আবারও আলোচনায় আসার জন্য জাতিসংঘের মঞ্চটি তাঁর কাছে বিশেষ হয়ে উঠেছে। তিনি জানেন, বিশ্ব নেতাদের সামনে ভাষণ দিলেও ইসরায়েলি ভোটাররাই মূল শ্রোতা। যারা টেলিভিশনের পর্দায় ভাষণটি দেখবেন কিংবা পত্রিকার পাতায় নজর রাখবেন। তাই ভাষণে আলাদা জায়গা করে নিতে পারে জাতীয় নিরাপত্তার মতো ইস্যুগুলো।
নিউইয়র্ক নেমেসিস: মামদানিকে আক্রমণ? শহরটিতে ইতোমধ্যে নেতানিয়াহুর একজন কার্যকর প্রতিপক্ষ তৈরি হয়েছে। তিনি হলেন সিটি মেয়র জোহরান মামদানি। যিনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে গ্রেপ্তারের হুমকির পাশাপাশি গণহত্যায় অভিযুক্ত করেছেন।
গত মঙ্গলবার মামদানির তীব্র সমালোচনা করে একটি ভিডিও বার্তা দেন নেতানিয়াহু। বলেন, ‘মিস্টার মামদানি, আপনার লজ্জা হওয়া উচিত। আমাদের জনগণের হত্যাকারী হামাসকে সমর্থন দেওয়ার জন্য আপনার লজ্জা হওয়া উচিত। নিউইয়র্কের ইহুদিদের বিরুদ্ধে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার জন্যও লজ্জা পাওয়া উচিত।’ একই ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমি জাতিসংঘে আসছি। সেখানে আমাদের বীর সেনাদের সম্পর্কে সত্য বলব। আপনার সম্পর্কেও সত্য তুলে ধরবো।’