প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৫:১৭ | আপডেট: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৫:১৮

আয়ুর্বেদে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা, জীবনযাপন ও টেকসই স্বাস্থ্যচর্চায় গুরুত্ব তুলে ধরে ঢাকায় পালিত হয়েছে ১১তম আয়ুর্বেদ দিবস। বুধবার গুলশানে ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারে (আইজিসিসি) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও আয়ুর্বেদ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

‘আগামী দিনের সুস্বাস্থ্যের জন্য আয়ুর্বেদ’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ছিল অ্যাকাডেমিক পর্ব, কর্মশালা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন। আইজিসিসির পরিচালক অ্যান মেরি জর্জ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন। তিনি আয়ুর্বেদের প্রসারে ভারতের আয়ুষ মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা এবং আয়ুর্বেদের পাশাপাশি যোগ ও ন্যাচারোপ্যাথি, ইউনানি, সিদ্ধা ও হোমিওপ্যাথির চর্চার কথা তুলে ধরেন।

অ্যাকাডেমিক পর্বে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা, জীবনযাপনভিত্তিক চিকিৎসা ও টেকসই স্বাস্থ্য চর্চা নিয়ে কর্মশালা পরিচালনা করেন নূর-মজিদ আয়ুর্বেদিক কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. জাকির হোসেন, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়ুর্বেদ মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. বাবুল আক্তার ও নূর-মজিদ আয়ুর্বেদিক কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মোহাম্মদ মামুন মিয়া।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি প্রচলিত জ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসাপদ্ধতির মাধ্যমে সামগ্রিক সুস্থতা ও রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বারোপ করেন। একইসঙ্গে এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে অ্যাকাডেমিক ও পেশাগত জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি। তার মতে, এ ধরনের উদ্যোগ ভারত ও বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে বাংলাদেশি শিল্পী শাহীন সোবহানা সুরভির উল দিয়ে তৈরি ‘গণপতি ট্যাপেস্ট্রি’র প্রতীকী উদ্বোধন করা হয়। এরপর সংগীত পরিবেশন করেন শাস্ত্রীয় ও বাংলা খেয়ালশিল্পী এবং সংগীতশিক্ষক রঞ্জন চন্দ্র সরকার। ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীত ও বাংলা খেয়ালের পরিবেশনায় দুই দেশের অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিভিন্ন দিক উঠে আসে।