দেশে হৃদরোগে মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, দেশে প্রতিবছর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় তিন লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। এই বিপুলসংখ্যক মৃত্যু কমাতে জনসচেতনতা তৈরির কোনো বিকল্প নেই।
বিশ্ব হার্ট দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক কর্মসূচিতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এবারের কর্মসূচির প্রতিপাদ্য ‘ডোন্ট মিস আ বিট’। বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটির আয়োজনে এ কর্মসূচিতে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, স্বাস্থ্যকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হৃদরোগ প্রতিরোধে মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক পরিশ্রমের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে এসব বিষয়ে জনসাধারণকে আরও বেশি সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন।
আয়োজকেরা বলেন, জীবনযাপনে পরিবর্তন এনে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। নিয়মিত শরীরচর্চা, পরিমিত ও সুষম খাবার গ্রহণ, ধূমপান থেকে বিরত থাকা এবং সময়মতো স্বাস্থ্য পরীক্ষা হৃদরোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অনুষ্ঠানে হৃদরোগীদের চিকিৎসাসেবা আরও কার্যকর করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি হৃদরোগ বিষয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, হৃদরোগের ঝুঁকির বিষয়গুলো সম্পর্কে মানুষের ধারণা থাকা জরুরি। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, অতিরিক্ত ওজন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব ও ধূমপান হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। এসব বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করা গেলে অনেক ক্ষেত্রেই হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।