গাজীপুরের শ্রীপুরে আশ্রয় দেওয়ার কথা বলে ডেকে দুই শিশুসন্তানের সামনে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে শ্রীপুর উপজেলার মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওই নারী আগেও ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে পুলিশ জানান। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যে দুজনকে আটক করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, গত মঙ্গলবার রাতে দুই সন্তান নিয়ে মাওনা চৌরাস্তা ফ্লাইওভারের নিচে বসেন তিনি। সেখানে তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় সোহরাব হোসেন নামে স্থানীয় এক পান ব্যবসায়ীর। আশ্রয় ও আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা বলে ওই ব্যক্তি তাঁকে নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে দুই সন্তানের সামনে তাঁকে ধর্ষণ করেন সোহরাব। বিচার চেয়ে তিনি সন্তানদের নিয়ে বেশ কয়েকজনের কাছে যান। কিন্তু কেউ বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি। এ কারণে সন্তানসহ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে গাড়ির নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

জানা গেছে, ওই নারীর দুই সন্তান নিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করেন। কয়েক মাস আগে স্বামী তাঁকে ছেড়ে চলে গেছেন। এরপর সন্তানদের নিয়ে শ্রীপুরের জৈনাবাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। কয়েক মাসের ভাড়া পরিশোধ করতে না পারায় গত মঙ্গলবার বাসার মালিক বের করে দেন।

শ্রীপুর থানার ওসি শাহীনুর আলম জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে ভুক্তভোগীর দেখিয়ে দেওয়া শহীদুল ইসলাম ও গৌতম সাহা নামে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে। ওই নারীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

এসপি জসীম উদ্দিন বলেন, ‘ওই নারী পুলিশকে বলেছেন, তিনি যৌনকর্মী; মামলা করতে চান না। তারপরও আমরা ধর্ষণের মামলা নিতে প্রস্তুত।’

ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় তরুণীকে (২০) ধর্ষণের অভিযোগে আবু হানিফ নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযোগ উঠেছে, আত্মীয়তার পরিচয়ের সূত্র ধরে ভুক্তভোগীর বাড়িতে হানিফের যাতায়াত ছিল। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ৯ মাস আগে তারা সিলেটে ঘুরতে যান। সেখানে বিয়ের কথা বলে তরুণীকে ধর্ষণ করেন হানিফ। কিছু দিন পর তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন। গত ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে হানিফের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে বিয়ে করতে বলেন তরুণী। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হানিফ তাঁকে মারধর করেন। এ ঘটনায় গত মঙ্গলবার থানায় তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। পরে বুধবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।