শরৎচন্দ্রের বিভিন্ন গল্প, উপন্যাস ও চরিত্র নিয়েও আলোচনা হয়। তাঁর লেখায় উঠে আসা মানুষের জীবন, সম্পর্ক, আবেগ ও সমাজবাস্তবতার নানা দিক নিয়ে কথা বলেন অংশগ্রহণকারীরা। বই পড়ার পাশাপাশি নিজেদের পছন্দের লেখা ও পাঠ-অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন সবাই।

প্রচার সম্পাদক মো. ইসনাইন বলেন, ‘শরৎচন্দ্রের লেখা পড়লে মনে হয়, গল্পগুলো অনেক পুরোনো হলেও মানুষের অনুভূতিগুলো এখনো একই রকম আছে।’

পাঠচক্র শেষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার বন্ধুরা।অর্থ সম্পাদক ফারজানা আক্তার বলেন, ‘একটা ভালো বই পড়ার পর শুধু গল্পটা মনে থাকে না, অনেক কিছু নিয়ে নতুন করে ভাবতে ইচ্ছা করে।’

বন্ধু রাহেলা সাদমুন বলেন, ‘শরৎচন্দ্রের লেখার মানুষগুলো খুব পরিচিত মনে হয়। তাদের আনন্দ, কষ্ট বা অভিমান পড়তে গেলে নিজের আশপাশের কথাই মনে পড়ে।’

সাবেক সভাপতি ইকবাল মাহমুদ পাঠচক্রে নিজের অভিজ্ঞতা ও সাহিত্যচর্চার নানা দিক তুলে ধরে বলেন, ‘পাঠচক্রে এলে বই নিয়ে কথা বলার একটা সুযোগ হয়। কে কীভাবে একটা লেখা দেখছে, সেটা শুনতেও ভালো লাগে। এভাবেই পড়ার আগ্রহটা বাড়ে। তা ছাড়া আপনারা কোন বই নিয়ে পাঠচক্র করবেন, সেটি আগে থেকে ঠিক করে রাখবেন। চেষ্টা করবেন যা আমাদের ভবিষ্যৎ জীবনে কাজে লাগবে, এমন জ্ঞান আহরণ করতে।’

সভাপতি জাহিদ হাসান বলেন, ‘আমরা চাই বন্ধুসভার পাঠচক্রটা নিয়মিত হোক। সবাই মিলে বই পড়ব, নতুন কিছু জানব, নিজেদের কথা বলব। এটাই আসলে মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত।’