সাক্ষাৎকালে রাম দাস বাংলাদেশে কেয়ারের পথচলার একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরেন, যার সূচনা হয়েছিল ১৯৪৯ সালে। তখন থেকেই কেয়ার বাংলাদেশ দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে অবদান রেখে আসছে। এর মধ্যে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের পর দেশ পুনর্গঠনে বিভিন্ন কার্যক্রম। সে সময় যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে ৮৫ হাজার কিলোমিটারের বেশি গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ করা হয় এবং হাজারো মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়।
রাম দাস জানান, পরবর্তী সাত দশকে কেয়ার ধীরে ধীরে খাদ্যনিরাপত্তা ও কৃষি, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি, শিক্ষা, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, দুর্যোগ প্রস্তুতি, জলবায়ু সহনশীলতা এবং তৈরি পোশাক খাতে নারী শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কল্যাণে কাজের পরিধি বিস্তৃত করে। আগামী দিনগুলোয় কেয়ার কৃষি ও খাদ্যনিরাপত্তা, যুব দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা তৈরি এবং জলবায়ু সহনশীলতায় বিশেষ গুরুত্ব দেবে।
রাষ্ট্রপতি দেশে একটি পরিচিত নাম হিসেবে কেয়ার বাংলাদেশের কথা স্মরণ করেন এবং দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে সংস্থাটির দীর্ঘ কয়েক দশকের কাজের প্রশংসা করেন। তিনি আগামী দিনগুলোয় সংস্থাটির কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।