রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ও সাহিত্যিক। তাঁর সাহিত্যজীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো মানুষের অন্তর্জগৎ ও মানবিক অনুভূতিকে গভীরভাবে উপলব্ধি করা। এই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিরই পরিচয় পাওয়া যায় তাঁর ‘মাল্যদান’ গল্পে। গল্পের মূলভাবের কেন্দ্রে রয়েছে প্রেম, আত্মত্যাগ, আবেগ, মানুষের অন্তর্গত আকাঙ্ক্ষা ও সম্পর্কের জটিলতা। এখানে ভালোবাসাকে শুধু ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার বিষয় হিসেবে দেখা হয়নি; বরং ভালোবাসার সঙ্গে যে ত্যাগ, বেদনা ও আত্মনিবেদন জড়িত, সেটিও প্রকাশ পেয়েছে।

বন্ধু অনুপ দাস বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথের নিজের জীবনেও প্রেম, বিচ্ছেদ, মৃত্যু, পারিবারিক শোক ও নানা মানসিক অভিজ্ঞতা তাঁর সৃষ্টিশীলতাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। “মাল্যদান”-এর আবেগ ও মানবিক অনুভূতিকে তাই রবীন্দ্রনাথের বৃহত্তর সাহিত্যদর্শনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা যায়। মাল্যদান যখনই পড়ি, তা-ই অনুভূত হয় বারবার।’

বন্ধু নাফিসা চৌধুরী বলেন, ‘পৃথিবীতে সব জিনিস বাস্তবিক অর্থে পাওয়ার নাম সত্যিকারের প্রাপ্তি নয়, বরং আক্ষরিক অর্থে না পাওয়ার মধ্যেও ভালোবাসা থাকে অবিরাম।’

পাঠচক্রে আরও উপস্থিত ছিলেন বন্ধু সৈয়দা তামান্না ইসলাম, সামিয়া আক্তার, রূপায়ণ, রাইজুল ইসলামসহ অন্য বন্ধুরা।

পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক, মুরারিচাঁদ কলেজ বন্ধুসভা