বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬Loginপ্রচ্ছদআয়োজনদূর পরবাসসফলতাপাঠকসংস্কৃতিভ্রমণছবি দূর পরবাস যে গল্পের নায়িকা আমার মালেখা: সাজ্জাদুল ইসলাম তুষারপ্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪: ০৪ মায়ের সঙ্গে লেখকঈদের ঠিক আগের দিন, যেদিন আমাদের বাবা মারা যান সড়ক দুর্ঘটনায়, তখন সালটা ২০১২, বাড়িতে আমরা তিন ভাই–বোন আর আমার মা।

আমি সেবার ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিয়েছি, আর আমার ছোট দুই বোনের একজন এসএসসি পরীক্ষার্থী আর অন্যজন ক্লাস টুয়ের ছাত্রী।

গল্পটা যতটা না আমাদের নিয়ে, তার চেয়ে বেশি আমাদের মাকে নিয়ে। মায়ের বয়স তখন কত হবে, ৩৮ বা ৩৯ বছর। সঙ্গে সরকারি চাকরি করা আমার বাবার পেনশনের অল্প কিছু টাকা আর আমরা তিন ভাই–বোনকে নিয়ে আমাদের মায়ের নতুন করে জীবনের এক কঠিন যাত্রা শুরু।

গল্প বলতে গেলে অনেক কিছুই চোখের সামনে যেন জীবন্ত হয়ে ওঠে, এরপর একটু একটু করে গুছিয়ে আমার বাবার বলা শেষ কথাটা, যেটা তিনি তাঁর সেক্টর কমান্ডারকে বলেছিলেন, ‘স্যার, আমার সন্তানদের দেখে রাখতে বলবেন আমার স্ত্রীকে।’ সেটাকে মূলমন্ত্র মেনে আমার মা এতগুলো বছর পাড়ি দিয়েছেন।

অনেক মানুষের কাছে থেকে অনেক ধরনের কথা শুনেও উনি দমে থাকেননি, আমার মা নিজের মহিমায় জীবনকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।

তাঁর দুই মেয়ের বড় মেয়ে মাস্টার্স শেষ করে এখন ঢাকায় পুরোদস্তুর সংসারী, স্বামী চাকরির কথা বললেও তাঁর দুই সন্তান ও সংসারের দিকেই মনোনিবেশ করেছেন। স্বামীও বাংলাদেশের একটা স্বনামধন্য প্রাইভেট কোম্পানির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে আছেন।