মণিপুরের পাহাড়ি এলাকায় নাগা ও কুকি-জো সম্প্রদায়ের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তামেংলং জেলার লাসান গ্রামে বিদ্যুৎ লাইনের মেরামতের সময় পাওজাংগাম চংলোই (৩৬) নামে এক বিদ্যুৎকর্মী গুলিতে নিহত হয়েছেন।

কুকি সম্প্রদায়ের অভিযোগ, হামলার পেছনে এনএসসিএন-আইএম এবং নাগা গ্রামরক্ষীদের হাত রয়েছে। স্থানীয় গ্রাম কর্তৃপক্ষ ঘটনার তদন্ত এবং এফআইআর দায়েরের দাবি জানিয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কাংপোকপি জেলার মাকুই খুমান ও মাকুই থানাম্বা নাগা গ্রামে হামলার অভিযোগ ওঠে।

স্থানীয়দের দাবি, সশস্ত্র হামলাকারীরা অন্তত ২৪টি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। নোনে-কাংপোকপি-সেনাপতি অঞ্চলের আরও কয়েকটি নাগা বসতিতেও হামলা ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

হামলার মধ্যে কাংপোকপিতে কুকি-জো নারীরা বিক্ষোভ করেন। তাদের অভিযোগ, মার্চের পর থেকে মণিপুরের পাহাড়ি এলাকায় ৮ জন নারীসহ ২৭ জন কুকি-জো নাগরিক নিহত হয়েছেন। কেন্দ্রীয় তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন, চিকিৎসা সহায়তা এবং ঝুঁকিপূর্ণ গ্রামগুলোতে নিরাপত্তা জোরদারের দাবিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।

ই-মেইল: [email protected], [email protected]