২০২৬ সালের সুইডিশ নির্বাচনের পর এমনই একটি ঘটনা সেই প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে। ১৩ সেপ্টেম্বর সুইডেনে রিক্সদাগ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। চূড়ান্ত ফল অনুযায়ী ভোটার ছিলেন ৮০ লাখ ৫১ হাজার ৩৫৫ জন এবং ভোট দিয়েছেন ৬৮ লাখ ৩৪ হাজার ৪১৩ জন, অর্থাৎ ভোটার উপস্থিতি ৮৪ দশমিক ৯ শতাংশ। প্রায় ২৪ দশমিক ২ শতাংশ ভোটার একই সঙ্গে কোনো নির্দিষ্ট প্রার্থীকে ব্যক্তিগতভাবে ভোট বা ‘পারসনরোস্ত’ দিয়েছেন।

এই ব্যক্তিগত ভোট ব্যবস্থাই এবারের একটি আলোচিত ঘটনার কেন্দ্রে চলে এসেছে।

ভ্যানস্টারপারিয়েতের ৩০ বছর বয়সী মোহামেদ আবদুকারদির আলি দালারনা অঞ্চল থেকে রিক্সদাগ নির্বাচনে দলের তালিকায় ৯ নম্বরে ছিলেন। কিন্তু তিনি ৬৪৮টি ব্যক্তিগত ভোট পেয়ে তালিকার ওপরের দিকে উঠে আসেন এবং দালারনা অঞ্চলের একটি আসনে নির্বাচিত হন।

এরপর অভিযোগ ওঠে, কিছু ভোটারের কাছে আগে থেকেই নির্দিষ্ট প্রার্থীকে চিহ্নিত করা ব্যালট দেওয়া হয়েছিল এবং ভোটারদের ওই প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার জন্য বলা হয়েছিল। কিছু সংবাদমাধ্যমে ভোটারদের অর্থ দেওয়ার প্রস্তাবের কথাও প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এখন তদন্ত চলছে। অভিযোগটির আইনি বিষয় হলো ‘otillbörligt verkande vid röstning’, অর্থাৎ ভোটদানে বেআইনি প্রভাব বিস্তার।

তবে এখানে একটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোহামেদ আবদুকারদির আলিকে এই মুহূর্তে কোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি। তিনি নিজেও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এসভিটি (SVT)-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁকে কোনো অপরাধে সন্দেহভাজন করা হয়েছে এমন তথ্য তাদের কাছে নেই।

পরবর্তী সময়ে ভ্যানস্টারপারিয়েত ঘোষণা করেছে যে তদন্ত চলাকালে মোহামেদ আলী সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে বিরত থাকবেন এবং নতুন ম্যান্ডেটের শুরু থেকে রিক্সদাগ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন না।