রিফাতের মতো নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে সাফল্য পাওয়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে গত ২২ সেপ্টেম্বর নোয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয় শিখো–প্রথম আলো জিপিএ–৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা। নোয়াখালী বন্ধুসভার সহযোগিতায় এতে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ–৫ পাওয়া ৮০০–এর বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে মূল আয়োজন শুরু হয়।বৃষ্টিভেজা সকালে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পদচারণে মুখর হয়ে ওঠে শিল্পকলা একাডেমি চত্বর। শিক্ষার্থীরা প্রথম আলো এক্সপেরিয়েন্স জোনের বিভিন্ন আয়োজনে অংশ নেয়। সকাল ১০টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে মূল আয়োজন শুরু হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গোলাম রব্বানী নিজের শিক্ষাজীবনের স্মৃতিচারণা করে বলেন, ‘আমি প্রত্যন্ত গ্রামের একটি বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেছিলাম। স্কুলেরই এক বড় ভাইকে দেখে স্বপ্ন দেখলাম, উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হব। সেই স্বপ্ন লালন করে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়েছি এবং আজ নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে তোমাদের সামনে কথা বলতে পারছি।’

শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাসশিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন ব্যবহারে সতর্ক করে অধ্যাপক গোলাম রব্বানী বলেন, ‘পড়ালেখার প্রয়োজন ছাড়া স্মার্টফোন ব্যবহার করা যাবে না। এ বিষয়ে অভিভাবকদেরও সচেতন থাকতে হবে।’

প্রথম আলোর হেড অব ফার্স্ট নিউজ টিপু সুলতান বলেন, ‘জিপিএ–৫ জীবনের সবকিছু নয়। সামনে তোমাদের আরও বড় চ্যালেঞ্জ আসবে। কোনো পরীক্ষার ফল প্রত্যাশামতো না হলে ভেঙে পড়বে না। ভুল থেকে শিখে আবার চেষ্টা করার শক্তিটা ধরে রেখো।’

শিক্ষার্থীদের ভালো মানুষ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে টিপু সুলতান বলেন, ‘যে পেশাতেই যাও, এমন মানুষ হও, যাকে অন্যরা বিশ্বাস করতে পারে; বিপদে যার কাছে সাহায্য চাইতে পারো।’