রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬Loginবন্ধুদের লেখাকার্যক্রমফিচারখেলাক্যারিয়ারমনোবন্ধুফটো ফিচারবন্ধুসভা সম্পর্কে কার্যক্রমজাবি বন্ধুসভা বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ১১২ শিক্ষককে শুভেচ্ছা চিঠি ও উপহারলেখা: সিফাত আরেফিনপ্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬: ৩৮ জাবি বন্ধুসভার উদ্যোগে শিক্ষকদের শুভেচ্ছা চিঠি ও উপহার প্রদান।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সম্মাননা জানিয়েছে জাবি বন্ধুসভা। বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ ১১২ জন শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার হাতে বিশেষ শুভেচ্ছাপত্র পৌঁছে দেন সংগঠনের সদস্যরা।

৫ অক্টোবর দিনব্যাপী এ কর্মসূচি পালন করা হয়। সকাল থেকেই বন্ধুসভার সদস্যরা কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন অনুষদ ভবন, একাডেমিক ইনস্টিটিউট, বিভাগীয় দপ্তর এবং নতুন প্রশাসনিক ভবনে যান। সেখানে তাঁরা শিক্ষকদের সঙ্গে সরাসরি কুশল বিনিময় করেন এবং শিক্ষক দিবসের স্মারক হিসেবে বিশেষ শুভেচ্ছাপত্র তুলে দেন।

এর মধ্যে ছিলেন জাবি উপাচার্য অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলাম, সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. শামসুল আলম, সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, কোষাধ৵ক্ষ অধ্যাপক মো. সোহেল রানাসহ জাবি বন্ধুসভার উপদেষ্টামণ্ডলী, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগীয় সভাপতি, জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক এবং জাবি বন্ধুসভার বন্ধুদের নিজেদের বিভাগের শিক্ষকেরা।

উদ্যোগটির মূল উদ্দেশ্য ছিল জ্ঞান বিতরণ ও শিক্ষার্থীদের মানবিক ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে শিক্ষকদের নিরলস অবদানের প্রতি অকুণ্ঠ সম্মান ও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। শ্রেণিকক্ষের আনুষ্ঠানিকতার বাইরে এসে প্রিয় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এমন অপ্রত্যাশিত ও আন্তরিক ভালোবাসা পেয়ে আবেগাপ্লুত হন শিক্ষকেরা। তাঁরা শিক্ষার্থীদের এই সৌজন্যমূলক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং স্নেহাশিস ও আশীর্বাদ জানান।

এ বিষয়ে জাবি বন্ধুসভার সভাপতি সৈয়দ সালমান হাসান বলেন, ‘একজন শিক্ষকের অবদান শুধু শ্রেণিকক্ষের চার দেয়াল কিংবা পাঠ্যবইয়ের পাঠদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। শিক্ষার্থীর মুক্তচিন্তা, মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও ভবিষ্যৎ জীবনের সঠিক ভিত্তিপ্রস্তর গড়ে ওঠে শিক্ষকের হাত ধরেই। বিশ্ব শিক্ষক দিবসে আমাদের প্রিয় শিক্ষকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও অনন্ত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেই বন্ধুসভার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।’

সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘শিক্ষকদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা আমাদের মৌলিক ও নৈতিক দায়িত্ব। ১১২ জন শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার হাতে শুভেচ্ছাপত্র, কলম ও স্মারক কি-রিং পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে আমরা তাঁদের প্রতি অন্তরের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার বার্তা দিতে চেয়েছি। ক্যাম্পাসে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মধ্যকার মিথস্ক্রিয়া আরও সুন্দর, প্রাণবন্ত ও অর্থবহ করে তুলতে বন্ধুসভা ভবিষ্যতেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।’