ভৈরব বন্ধুসভার বিতর্ক কর্মশালায় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে এ কথা বলেন আলোচকেরা। ৬ অক্টোবর উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ভৈরবের চণ্ডীবের এলাকার ব্লু বার্ড স্কুলের সভাকক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

‘কেন বিতর্ক করি’—এই প্রশ্নের জবাবে ভৈরবের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও বিতর্ক সুহৃদ মতিউর রহমান বলেন, সুন্দরভাবে চিন্তা করতে শেখা এবং একজন দক্ষ বক্তা হয়ে ওঠার জন্য বিতর্কের চর্চা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিতর্ক মানুষের চিন্তাকে শাণিত করে এবং কথা বলার দক্ষতা বাড়ায়।

তেজগাঁও কলেজ ডিবেটিং সোসাইটির বিতর্ক ও কর্মশালাবিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মারুফ আহমেদ বিতর্কের গঠন ও একজন বিতার্কিক কীভাবে নিজের বক্তব্য সাজাবেন, তা নিয়ে আলোচনা করেন। প্রমিত উচ্চারণে স্পষ্টভাবে কথা বলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘একজন বিতার্কিককে নিজের বক্তব্য ও অবস্থান পরিষ্কারভাবে বোঝাতে হবে।’ বিতর্কে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বক্তার ভূমিকা কী হবে, কীভাবে দলের বক্তব্য ধারাবাহিকভাবে সাজাতে হবে এবং কে কোন বিষয় তুলে ধরবেন—এসব বিষয়ও তিনি শিক্ষার্থীদের সামনে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।

এর আগে ভৈরব বন্ধুসভার সভাপতি জান্নাতুল মিশুর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক জিসানউল্লাহ আনাস ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাফিস রহমান। কর্মশালাটি সফলভাবে আয়োজনের জন্য সার্বিক সহযোগিতা করায় উপজেলা প্রশাসন এবং ভেন্যু সহযোগিতার জন্য ব্লু বার্ড স্কুল কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তাঁরা।

কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন সাবেক সভাপতি নাহিদ হোসাইন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম, সহসভাপতি আফিসা আলী, পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক মহিমা মেধা, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোশারফ রাব্বি, অর্থ সম্পাদক মাজহারুল ইফতি, স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া সম্পাদক নুরাইন হোসাইন, মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা সম্পাদক ভুবন আহমেদ, বইমেলা সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, বন্ধু আদিব, ইমরান, অভিক, মারুফ, রাকিব, রাত্রি, তমা, গোধুলী, লোভনাসহ আরও অনেকে।