লক্ষ্মীপুর বন্ধুসভার উদ্যোগে আন্তজেলা বিতর্ক উৎসবে এ কথা বলেন বক্তারা। ২৪ অক্টোবর লক্ষ্মীপুর কলেজিয়েট উচ্চবিদ্যালয়ের হলরুমে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার ১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। দিনভর যুক্তি, পাল্টা যুক্তি ও বিশ্লেষণধর্মী আলোচনায় মুখর ছিল পরিবেশ।
একই আয়োজনে লক্ষ্মীপুর জেলার গুণী শিক্ষকদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে যুক্তিনির্ভর চিন্তা, জ্ঞানচর্চা ও বিতর্কের প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষকদের অবদানকে সম্মান জানানো ছিল উৎসবের অন্যতম দিক।
অধ্যাপক মাইন উদ্দিন পাঠান বলেন, ‘এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে মুক্তচিন্তার দ্বার উন্মোচন করে।’ বন্ধুসভার এমন আয়োজন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বিতর্কের প্রশিক্ষক মাজেদ আজাদ বলেন, ‘এমন আয়োজনে জেলাব্যাপী বিতার্কিকদের মধ্যে নতুন করে আশার আলো জাগিয়েছে।’ তিনি বন্ধুসভার বন্ধুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে লক্ষ্মীপুর কলেজিয়েট উচ্চবিদ্যালয় ও রানার্সআপ হয়েছে লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চবিদ্যালয়। শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হয় কলেজিয়েট উচ্চবিদ্যালয়ের কুনাল দাস।
বিতর্ক উৎসবের পাশাপাশি জেলার শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখা শিক্ষকদের সম্মাননা জানানো হয়। সম্মাননাপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা হলেন অধ্যাপক নুরুল আলম বুলবুল, মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, মোহাম্মদ শামছুল আলম শামীম, মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন ভূঁইয়া, মোহাম্মদ নুর হোসেন, মো. ইব্রাহিম খলিল, মোহাম্মদ আবদুল মজিদ, মো. আওলাদ হোসেন চৌধুরী, মৃণাল কান্তি সাহা, মো. গোলাম মোস্তফা ও আহমদ আবু আবদুল্লাহ।