হঠাৎ বিক্ষোভ দেখিয়ে আলোচিত হলেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাবিরোধী এক নারী। তিনি এআইর সম্ভাব্য ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন ছোড়েন বিশেষজ্ঞদের কাছে। এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। শুরু হয় সমালোচনা ও বিতর্কের বৈরী ঝড়।

ভিডিওতে ওই নারী বলেন, সাধারণ মানুষ এআই নিয়ে রীতিমতো ভয়ে ভুগছেন। অদূর ভবিষ্যতে এআই মানুষের কাছ থেকে কাজ ও সৃষ্টিশীলতার সুযোগ কেড়ে নিতে পারে। আদতে সাধারণ মানুষের জন্য প্রযুক্তির উন্নয়ন শেষমেশ কতটুকু উপকারী হবে? বিক্ষোভকারী এআইর বিরূপ প্রভাব নিয়ে এমন প্রশ্ন সামনে আনেন, বিশেষ করে এআই পরিচালনায় সুবিশাল ডেটা সেন্টার কতটা পানি ও অন্য সব প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করছে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বলা হয়, কিছু বিশেষজ্ঞ এআই নিয়ে যে সম্ভাব্য বড় ঝুঁকির কথা বলেছেন, সাধারণ মানুষ সেই শঙ্কা থেকেই উদ্বিগ্ন। এই অপ্রতিরোধ্য প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ন্ত্রণ, ব্যবহার সীমা ও সামাজিক প্রভাবের মতো বিষয় সামনে আসে। বিক্ষোভের ভাষায় তিনি এআইকে মানুষের কাছ থেকে চুরি করা প্রযুক্তি বলে মন্তব্য করেন।

অন্যদিকে, এআই প্রযুক্তি তৈরিতে যুক্ত সংস্থা ও প্রযুক্তিশিল্পের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। জানা গেছে, বিক্ষোভের পেছনে কাজ করে পুল দ্য প্লাগ নামে সংগঠন। সংগঠনটি জানায়, লন্ডনে তারা বিক্ষোভ করেছেন। ওই সময় প্রত্যক্ষদর্শী অনেকেই ছিলেন নীরব।

পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় টানাপোড়েন। উপস্থিত কেউ ওই নারীর উদ্বেগকে যুক্তিসংগত বলে মন্তব্য করেছেন; আবার কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, সারাবিশ্বে এআই নিয়ন্ত্রণে কঠোর না হলে আগামীতে টেক দুনিয়ায় কেমন প্রভাব পড়তে পারে, তা নিয়ে রয়েছে অন্তহীন সংশয়। ঘটনাটি মূলত দেখিয়ে দিয়েছে, এআইর দ্রুত প্রসারকে ঘিরে প্রযুক্তিগত সম্ভাবনার বিপরীতে সুরক্ষা, কর্মসংস্থান, পরিবেশ ও সামাজিক প্রভাব নিয়ে জনমনে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ছে। কেউ তাঁকে সাধারণের উদ্বেগ প্রকাশ করার জন্য সাহসী বলে প্রশংসা করেছেন; আবার অনেকে এই ধরনের প্রতিবাদ নিয়ে করেছেন কড়া সমালোচনা।

ই-মেইল: [email protected], [email protected]