রাজধানীর বারিধারায় ফুটপাতে উঠে যাওয়া গাড়ির চাপায় মেহেদী হাসান (২৩) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। পরে গাড়ির কিশোর 'চালক'কে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে জনতা।

এদিকে বনানীতে পৃথক দুর্ঘটনায় নারীসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে মঙ্গলবার বিকেলে কড়াইল এলাকায় সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হন দুলালী বেগম (৫০)। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তাঁর মৃত্যু হয়। এর আগে দুপুরে বাসের ধাক্কায় নিহত হন হাসান ইমাম সোহেল (৪৫) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী। এ ছাড়া আরও দুটি দুর্ঘটনায় মারা গেছেন দুজন।

গুলশান থানা পুলিশ জানায়, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বারিধারা এলাকায় প্রাইভেটকারের চাপায় মারা যান শ্রমিক মেহেদী হাসান। বারিধারার এক নম্বর সড়কের ১৪ নম্বর বাসার সামনের ফুটপাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি ফুটপাতে বসেছিলেন। তাঁর বাবার নাম মো. আব্বাস। বাড়ি নীলফামারীর ডোমার থানার সোনারায় এলাকায়।

এ ঘটনায় এক কিশোরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে জনতা। তাদের অভিযোগ, দুর্ঘটনার সময় ওই কিশোর বেপরোয়া গতিতে গাড়িটি চালাচ্ছিলেন। পুলিশ অবশ্য বলছে, গাড়িটি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক কর্মকর্তার। আটক কিশোর তাঁর ছেলে। কিশোর গাড়িতে থাকলেও চালাচ্ছিলেন অন্যজন।

গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইসমাইল হোসেন সাংবাদিকদের জানান, দুর্ঘটনায় দায়ী গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। পলাতক চালককে খুঁজছে পুলিশ।

দুর্ঘটনার সময়ের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বেপরোয়া গাড়িটি হঠাৎ ফুটপাতে উঠে যায়। এতে সেখানে বসে থাকা এক যুবক চাপা পড়েন। পরে গাড়িটি একটি ল্যাম্পপোস্টে গিয়ে ধাক্কা লাগে। গাড়ির চালকের পাশের দরজা থেকে এক কিশোর এবং অপর পাশ থেকে এক ব্যক্তি নেমে যান।