সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া ৮১৭ জনকে আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে নিয়োগ দেওয়া হবে। যারা ওই সময়ের মধ্যে নিয়োগ পাবেন না, তাদের বিষয়েও কাজ করা হবে। আজ সোমবার শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ কথা বলেছেন।

সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভায় তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের নিয়োগ পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী ছিল প্রায় ১০ লাখ ৬৯ হাজার। যথাযথভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া মেইনটেইন করার জন্য আমরা কাজ শুরু করেছিলাম। আমাদের কাছে ৩৩ জনের ৮৫৪ জনের ফাইনাল অ্যাপ্লিকেশন এসেছে।’ ডিপিও ইস্যু করে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়।

নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ভেরিফিকেশনের সময় অনেকের ঠিকানা পরিবর্তনের বিষয়টি সামনে এসেছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সে সময় দেখা গেছে তাদের ভেরিফিকেশন এবং অনেকেই ঠিকানা পাল্টিয়েছেন। সেগুলো পর্যায়ক্রমে তারা দিচ্ছে। পর্যায়ক্রমে ভেরিফিকেশন হচ্ছে, ঠিকানা আসছে। যাদের হয়নি, সেগুলো আমরা পর্যবেক্ষণে রেখেছি এবং সেগুলো রিভিউ করছি। ১ অক্টোবর পর্যন্ত এটা চলবে।’

তিনি জানান, এখন পর্যন্ত ৮১৭ জন নিয়োগবঞ্চিত রয়েছেন। তাদের ১ অক্টোবরের মধ্যে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে কাজ চলছে। এরপরও যারা নিয়োগ পাবেন না, তাদের বিষয়েও পরবর্তী সময়ে কাজ করা হবে।

এদিকে চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের নিয়ে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। ভেরিফিকেশন বা প্রশাসনিক যাচাই-বাছাইয়ের পর বিপুলসংখ্যক প্রার্থীর নাম নিয়োগপত্রের তালিকায় না থাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তারা। ‘কেন্দ্রীয় প্যানেল প্রাইমারি ২০২৫’ নামে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের একটি প্ল্যাটফর্ম বাদ পড়া প্রত্যেক প্রার্থীর নথি পুনর্যাচাই, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে।

বাদ পড়া প্রার্থীর সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রার্থীদের একটি প্ল্যাটফর্মের দাবি, এ সংখ্যা প্রায় আড়াই হাজার। অন্য একটি হিসাব অনুযায়ী, এ সংখ্যা ২ হাজার ২০০-এর বেশি।