VoiceBD অনলাইন ডেস্ক: প্রথম সংসার ভাঙার পর মিঠুনের সঙ্গে সম্পর্ক, ৩০ মিনিটের বিয়ে যেন রূপকথার গল্প নিয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে এ সংক্রান্ত ঘটনাবলী বিশেষ গুরুত্বের সাথে আলোচিত হচ্ছে।

টালিউডের কিংবদন্তী অভিনৈতা মিঠুন চক্রবর্তীর জীবন যেন সিনেমার গল্প। একসময় ফুটপাতে রাত কাটানো থেকে শুরু করে বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা হয়ে ওঠার গল্প অনেকেরই জানা। তবে তার ব্যক্তিজীবনের প্রেম ও বিয়ের গল্পও কম রোমাঞ্চকর নয়। অভিনেত্রী যোগিতা বালির সঙ্গে মিঠুনের প্রেমের পর মাত্র ৩০ মিনিটে বিয়ের সেই ঘটনা যেন বলিউডের কোনো সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানায়। সত্তরের দশকের শেষ দিকে মিঠুন ও যোগিতা বালির মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর আগে ১৯৭৬ সালে সুরকার ও গায়ক কিশোর কুমারের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল যোগিতার। তবে ১৯৭৮ সালে সেই সম্পর্কের ইতি ঘটে। এরপর মিঠুনের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব ধীরে ধীরে প্রেমে রূপ নেয়। কিন্তু বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের পথ সহজ ছিল না। যোগিতার মা এই সম্পর্ক ও বিয়েতে রাজি ছিলেন না। ফলে বারবার পিছিয়ে যাচ্ছিল বিয়ের পরিকল্পনা। একপর্যায়ে ধৈর্য হারান মিঠুন। নেন অভিনব এক সিদ্ধান্ত। একদিন যোগিতাকে তিনি জানিয়ে দেন, পরদিন সকাল ৯টার মধ্যে যেন মিঠুনের বাড়িতে পৌঁছে যান। তবে যোগিতা তখনও জানতেন না, তার জন্য কী অপেক্ষা করছে। কারণ এরই মধ্যে গোপনে বিয়ের সব আয়োজন করে ফেলেছিলেন মিঠুন। নিজের ছোট্ট শোবার ঘরে পুরোহিত ডেকে বিয়ের আয়োজন করেন তিনি। শুধু তাই নয়, বিয়ের জন্য সময়ও বেঁধে দেন মিঠুন। পুরোহিতকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ৩০ মিনিটের মধ্যেই বিয়ের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে হবে। এক মিনিটও বেশি সময় নেওয়া যাবে না। এমনকি পুরোহিতকে টাকা দিয়ে সময়ের ব্যাপারে সতর্কও করেছিলেন তিনি। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিয়ে শেষ করতে দ্রুত মন্ত্র পড়ার প্রস্তুতি নেন পুরোহিত। পরদিন ঠিক সকাল ৯টায় মিঠুনের বাড়িতে হাজির হন যোগিতা। সেখানে গিয়ে বিয়ের আয়োজন দেখে অবাক হয়ে যান তিনি। এরপর আর বেশি কথা না বাড়িয়ে যোগিতাকে সাত পাক ঘোরার জন্য বলেন মিঠুন। পুরোহিতও দ্রুত বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন। একে একে সাত পাক ঘোরা শেষ হওয়ার পর যোগিতার কপালে সিঁদুর পরিয়ে দেন মিঠুন। পুরোহিত জানিয়ে দেন, বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। তবে গল্পের নাটকীয়তা তখনও শেষ হয়নি। বিয়ে শেষ হওয়ার পর পুরোহিতকে বিদায় দিয়ে মিঠুন যোগিতাকে বলেন, তাঁদের বিয়ে হয়ে গেছে। এবার তাঁকে নিজের বাড়িতে ফিরে গিয়ে মায়ের কাছে বিষয়টি জানাতে হবে। অর্থাৎ মিঠুন তাঁকে বিয়ে করে ফেলেছেন—এই খবরটিই যেন মাকে গিয়ে জানান যোগিতা। এভাবেই ১৯৭৯ সালে ঘর বাঁধেন মিঠুন চক্রবর্তী ও যোগিতা বালি। সম্প্রতি ফারহা খানের ভ্লগে নিজের জীবনের এই ঘটনা তুলে ধরেছেন মিঠুন। তাঁর বলা সেই গল্পের পরই আবার আলোচনায় এসেছে বলিউডের এই তারকা দম্পতির বিয়ের সেই রোমাঞ্চকর অধ্যায়। সূত্র: টিভি নাইন

বিশেষজ্ঞ ও দায়িত্বশীল মহল মনে করছেন, এই পরিস্থিতির অগ্রগতি সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক প্রভাব ফেলতে পারে। পুরো ঘটনার ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

VoiceBDNews পাঠকদের জন্য এই ঘটনার সর্বশেষ ও বস্তুনিষ্ঠ সব আপডেট সবার আগে তুলে ধরছে।