রাজশাহীর বাঘা উপজেলার একটি গ্রামে পরকীয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে সাবেক এক শিবির নেতাকে মারধর ও তার বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, অভিযুক্ত শিবির নেতা হাফিজুর রহমানের সঙ্গে তার গ্রামের এক প্রবাসীর স্ত্রীর পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই নারী বাড়িতে ছোট ছেলেকে নিয়ে থাকেন।

স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার দিন গত শুক্রবার রাতে ওই নারীর বাড়িতে যান হাফিজ। রাত ১১টার দিকে বিষয়টি দেখে ফেলেন নারীর ছেলে। এ সময় তিনি হাফিজকে মারধর করেন। এতে গুরুতর আহত হন হাফিজ। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে গ্রামে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয়দের একটি অংশের দাবি, হাফিজুর রহমান হাফিজ রাজশাহী কলেজ শাখার ইসলামী ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীল পদে ছিলেন।

এ বিষয়ে পাকুড়িয়া ইউনিয়নের জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি নবিউল ইসলাম নবী জানান, হাফিজ রাজশাহী জেলায় ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও বাঘা উপজেলায় শিবির কিংবা জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়। তিনি আরও বলেন, অভিযুক্ত হাফিজ রাজশাহী ইবনে সিনা হাসপাতালে চাকরি করতেন বলে শুনেছেন তিনি। গুরুতর আহত হাফিজকে রাজশাহী ইবনে সিনা হাসপাতাল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। হাতের রগ কেটে যাওয়ায় তাঁর অবস্থা গুরুতর বলে জেনেছি। ওই নারীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল বলে শুনেছি।

এদিকে ঘটনার জের ধরে পরদিন আজ শনিবার সকাল ১১টার দিকে গ্রামের বিক্ষুব্ধ জনতা হাফিজের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে স্থানীয়রাই তা নিভিয়ে ফেলেন। আগুনে ঘরের ভেতরে থাকা আসবাব পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।