সিরাজদীখানে ধলেশ্বরী নদীর ভাঙন শুরু হয়েছে। নদীর তীব্র স্রোতে এর মধ্যে একটি বাড়ি বিলীন হয়েছে। ঝুঁকিতে রয়েছে কেয়াইন ইউনিয়নের বড় বর্তা গ্রামের ১৫টি পরিবার। ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের।
গতকাল রোববার দুপুরে আকস্মিকভাবে নদীর স্রোতে গফুর শেখের টিনের ঘরটি আসবাবসহ নদীতে চলে যায়। চোখের সামনে বসতঘর হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়ে পরিবারটি। মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায় বছরের পর বছর ধরে গড়ে তোলা তাদের মাথা গোজার আশ্রয়।
গফুর শেখ বলেন, হঠাৎ করে নদীর পার ভাঙতে শুরু করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাড়িটি নদীতে চলে যায়। ঘরের অনেক মালপত্র বের করারও সুযোগ হয়নি।
স্থানীয়রা জানান, ধলেশ্বরী নদীর তীব্র স্রোতের কারণে কয়েকদিন ধরে বড় বর্তা গ্রামে ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রতিনিয়ত পার ভেঙে বসতবাড়ির দিকে এগিয়ে আসছে নদী। যে কোনো সময় আরও ১৫টি বাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে– এমন আশঙ্কায় আতঙ্কিত এলাকাবাসী।
ভুক্তভোগী নাদিম হোসেন অনিক জানান, একদিকে নদীর স্রোত, অন্যদিকে প্রতিদিন নদীতে প্রায় ১৫-২০টি বাল্কহেড বালু পরিবহন করছে। এতে নদী পারে চাপ তৈরি হয়ে ভাঙন বাড়ছে। এ রকম চলতে থাকলে দুই-এক দিনের মধ্যে তাঁর বাড়িটিও নদীতে চলে যাবে।
এদিকে ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের আশঙ্কা– এখনই নদীর পার রক্ষায় ব্যবস্থা না নিলে একের পর এক বসতবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে যাবে।