প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১১:০২ | আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১১:২৮
শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত ব্যায়ামের বিকল্প নেই। হাঁটা, দৌড়ানো কিংবা সাইকেল চালানোর মতো শরীরচর্চা শরীর ও মন ভালো রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু শহরের ব্যস্ত সড়ক, যানজট আর দূষিত বাতাসের মধ্যে বাইরে ব্যায়াম করতে গেলে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। কারণ ব্যায়ামের সময় শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি বেড়ে যায়। ফলে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বেশি বাতাস ফুসফুসে প্রবেশ করে এবং সেই বাতাস দূষিত হলে ক্ষতিকর কণাও শরীরে ঢোকার সুযোগ বাড়ে। তবে বায়ুদূষণের কারণে ব্যায়াম পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং ব্যায়ামের সময় ও স্থান একটু বুদ্ধিমানের মতো বেছে নিলে দূষিত বাতাসের সংস্পর্শ অনেকটাই কমানো যায়।
ব্যায়ামের জন্য যানজটপূর্ণ ও ব্যস্ত প্রধান সড়কের পরিবর্তে তুলনামূলক নিরিবিলি রাস্তা বা সবুজ এলাকা বেছে নিন। সম্ভব হলে পার্ক, মাঠ বা গাছপালা বেশি থাকা জায়গায় হাঁটা কিংবা দৌড়ানো ভালো। ব্যস্ত সড়ক থেকে মাত্র এক বা দুই রাস্তা দূরে গেলেও দূষণের সংস্পর্শ কমতে পারে। তাই কয়েক মিনিট বেশি সময় লাগলেও পাশের রাস্তা ব্যবহার করা যেতে পারে।
রাস্তায় যানবাহনের চাপ বেশি থাকলে দূষণের মাত্রাও বেড়ে যেতে পারে। তাই সম্ভব হলে ব্যস্ত সময়ে বাইরে ব্যায়াম করা এড়িয়ে চলুন। বিশেষ করে যানজটে আটকে থাকা গাড়ির কাছাকাছি দীর্ঘ সময় অবস্থান না করাই ভালো।
গরম ও রৌদ্রোজ্জ্বল সময়ে বাতাসে ওজোনের মাত্রা বাড়তে পারে। তাই তীব্র গরমের সময় বাইরে ব্যায়াম না করে তুলনামূলক আরামদায়ক সময়ে শরীরচর্চা করা ভালো।
বাইরে ব্যায়াম করার আগে এলাকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স বা বায়ুর মান দেখে নিতে পারেন। দূষণের মাত্রা বেশি থাকলে সেদিন বাইরে না গিয়ে ঘরের ভেতরে ব্যায়াম করাই ভালো।