প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৯:১৩ | আপডেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৯:১৩
কুকুর ও বিড়ালের আক্রমণের শিকার হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। সারাদেশে কত মানুষ কুকুর-বিড়ালের আক্রমণের শিকার হচ্ছেন, সে তথ্য নেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে। দেশে জলাতঙ্কে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার অন্যতম প্রধান কেন্দ্র রাজধানীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের তথ্য বলছে, গত দুই বছরে কুকুর ও বিড়ালের আক্রমণের শিকার হয়ে আসা রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ৫৫ শতাংশ।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্টদের মতে, কুকুরের টিকাদান কর্মসূচি বন্ধ হয়ে যাওয়া, বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা বাড়া এবং পোষা বিড়াল পালনের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হচ্ছে। এতে জলাতঙ্কের সংক্রমণের আশঙ্কাও বাড়ছে।
এমন বাস্তবতায় আজ (সোমবার) পালিত হচ্ছে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস। প্রতিবছর দিনটি বিশ্বজুড়ে পালিত হয়। এবারের প্রতিপাদ্য– ‘একসঙ্গে আমরা আরও শক্তিশালী’। এ দিন জলাতঙ্ক নির্মূল ও রোগটি প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতিবছর জলাতঙ্কে আনুমানিক ৫৯ হাজার মানুষ মারা যান। মানুষের জলাতঙ্ক সংক্রমণের প্রায় ৯৯ শতাংশই কুকুরের মাধ্যমে হয়ে থাকে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কুকুরের অন্তত ৭০ শতাংশকে নিয়মিত টিকা দেওয়া গেলে সংক্রমণের চক্র ভাঙা সম্ভব।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলাতঙ্কের উপসর্গ দেখা দেওয়ার পর রোগীকে বাঁচানো প্রায় অসম্ভব। তাই আক্রান্ত হওয়ার পর দ্রুত টিকা নেওয়াই এ রোগ প্রতিরোধের প্রধান উপায়।