‘ফুলের বিবাহ’ রচনায় হাস্যরসের মাধ্যমে বিভিন্ন ফুলের নাম, তাদের গন্ধের তারতম্য ও বর্ণের বৈচিত্র্য অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সঙ্গে তুলে ধরেছেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। কোন সময়ে কোন ফুল ফোটে, সেই পর্যবেক্ষণও রচনাটিতে পাওয়া যায়।
বাঙালি জীবনে বিয়ের অনুষ্ঠান আনন্দের একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। বর-কনেকে কেন্দ্র করে পরিবারের সদস্য, প্রতিবেশী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে সম্পৃক্ত হন। ‘ফুলের বিবাহ’ রচনায় বিয়ের অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন চরিত্র ও অনুষঙ্গের পরিবর্তে বিভিন্ন ফুলকে উপস্থাপন করে বঙ্কিমচন্দ্র অসাধারণ দক্ষতায় বাঙালির গার্হস্থ্য জীবনের একটি পরিচিত অনুষ্ঠানকে আনন্দময় করে তুলেছেন। প্রকৃতিকে বাস্তব জীবনের সঙ্গে মিলিয়ে উপস্থাপনের ক্ষেত্রেও লেখকের দক্ষতা রচনাটিতে ফুটে উঠেছে।
দিনাজপুর বন্ধুসভার পাঠচক্রের আসর।যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিন নেওয়াজ বলেন, সাহিত্যচর্চার জ্ঞান বৃদ্ধি করতে পাঠচক্রের কোনো বিকল্প নেই।
পাঠচক্রে আরও উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব চন্দ্র রায়, বন্ধু তাসনিম পৌষী, আতিক ইসলাম, সারাবান তহুরা, সজীব ইসলাম ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার পাঠকেরা।