রাজধানীর র্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনের এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এওবিএর সভাপতি ওসামা তাসীর। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সম্মানিত অতিথি, অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ও আমন্ত্রিত সুধীদের স্বাগত জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য এম তামিম।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মো. ইফতেখার সুমন। তাঁর প্রবন্ধে স্যার সৈয়দ আহমদ খানের জীবনদর্শন, আধুনিক শিক্ষার প্রসারে দূরদর্শী উদ্যোগ, বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণ এবং সমাজসংস্কারে তাঁর ঐতিহাসিক ভূমিকা তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে সমাজের অগ্রগতি সাধনে তাঁর আদর্শের প্রাসঙ্গিকতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
অনুষ্ঠানের একটি উল্লেখযোগ্য দিক ছিল এওবিএর সদস্য ও কর্মচারীদের সন্তানদের মধ্যে বৃত্তি প্রদান। এর মাধ্যমে অ্যাসোসিয়েশন শিক্ষার মানোন্নয়ন, সমান সুযোগ সৃষ্টি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ার ক্ষেত্রে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এ ছাড়া প্রয়াত সদস্যদের স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন, মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন ও আমন্ত্রিত অতিথিদের বক্তব্য অনুষ্ঠানে বিশেষ তাৎপর্য যোগ করে। পরিশেষে নৈশভোজ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে। এ আয়োজন উপস্থিত সদস্য ও অতিথিদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার সুযোগ সৃষ্টি করে।
বার্ষিক এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে এওবিএ স্যার সৈয়দ আহমদ খানের শিক্ষা, মানবিকতা, জ্ঞানচর্চা ও সমাজসংস্কারের আদর্শকে সমুন্নত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে আলিগড়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঐক্য ও সম্প্রীতি জোরদার এবং শিক্ষা, সততা, সামাজিক দায়িত্ববোধ ও মানবকল্যাণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।