জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর আর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেছেন, সামনে সুযোগ এলে জ্বালানি তেলের দাম আরও কমানো হবে। মূলত পাচার রোধ ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে।
বুধবার দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। পরে জেলা পরিষদ চত্বরে তিনি বৃক্ষরোপণ করেন।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কারণ ব্যাখ্যাচ অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, পাশাপাশি দুটি দেশে যখন জ্বালানি তেলের চাহিদা ব্যাপক থাকে এবং দামের মধ্যে বড় পার্থক্য থাকে, তখন তেল পাচারের আশঙ্কা তৈরি হয়। এটি রোধ করা কঠিন। সে কারণেই বাধ্য হয়ে তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
পরিবহন ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়টি যোগাযোগ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় নির্ধারণ করে। তারাই নিশ্চিত করবে, অতিরিক্ত ভাড়া যেন কেউ আদায় করতে না পারে।
কৃষিতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী দিনে কৃষকের কৃষিজমিতে সেচের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে। এ জন্য বিকল্প উদ্যোগ হিসেবে পর্যায়ক্রমে সেচের পাম্পগুলোকে সৌরবিদ্যুৎচালিত পাম্পে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, জ্বালানি বা বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে প্রাকৃতিক সৌরশক্তি ব্যবহার করে কৃষক যেন সেচপাম্প চালাতে পারেন, সে ব্যবস্থা করা হবে। এতে কৃষকের উৎপাদন খরচ অনেকাংশে কমে যাবে।