১৯৪৫ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র জিতুর জীবনসংগ্রাম নিয়েই আবর্তিত হয় আলোচনা। বাবার চাকরি হারানো, জ্যাঠামশায়ের আশ্রয়ে যাওয়া, ভাইয়ের মৃত্যু কিংবা মালতীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েও অসুখী থাকা—এমন নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় কাহিনি। অতি সাধারণ জীবনের ভেতরে মধ্যবিত্তের স্থানচ্যুতির ভয়, অনিশ্চয়তা এবং অচলতার বিরুদ্ধে নীরব প্রতিবাদ লেখক তাঁর মায়াবী গদ্যে ফুটিয়ে তুলেছেন।

সভাপতি আসিফ আহমেদ বলেন, ‘“দৃষ্টিপ্রদীপ” উপন্যাসটি মূলত জীবনের স্থবিরতার বিরুদ্ধে এক শৈল্পিক প্রতিবাদ। “পথের পাঁচালী”র মতো এখানেও অন্য এক আখ্যানে মধ্যবিত্তের লড়াই আর ভবিষ্যতের টান লেখক অপূর্বভাবে দৃশ্যমান করেছেন।’

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাজকির হোসেন বলেন, ‘বিভূতিভূষণের গদ্যশৈলী অনন্য। মায়ের কষ্টের বর্ণনায় তিনি অবলীলায় যে পরিবেশের বিস্তার ঘটান, তা পাঠকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখে।’

পাঠ আলোচনায় আরও অংশ নেন প্রচার সম্পাদক ধ্রুব ভুঁইয়া, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আরাফাত শিহাব, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি সম্পাদক নাফিস আহমেদ, কার্যনির্বাহী সদস্য অর্ঘ্য ভুঁইয়া, বন্ধু সাইফুল শিহাব ও সালেহ আহমেদ।