বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬DonateLoginপ্রচ্ছদকার্যক্রমছবিভিডিওট্রাস্ট সম্পর্কেAbout Prothom Alo TrustContactUpdatesপ্রথম আলো অদ্বিতীয়াসাক্ষাৎকার জনস্বাস্থ্যের শিক্ষা নিয়ে সমাজ পরিবর্তনের স্বপ্ন দীপা সিংয়েরপ্রথম আলো ট্রাস্টের একটি নিয়মিত আয়োজন হলো ‘অদ্বিতীয়ার গল্প’। এ আয়োজনে আইডিএলসি

প্রথম আলো ট্রাস্ট: দীপা সিং, আমাদের অনুষ্ঠানে আপনাকে স্বাগত। কেমন আছেন?

দীপা, শুরুতেই আমি বলছিলাম যে ‘অদ্বিতীয়া’ আসলে তারাই, যারা পরিবারের প্রথম কন্যা সন্তান হিসেবে উচ্চশিক্ষার পথে পা বাড়িয়েছেন। আপনার নাছোড়বান্দা হয়ে ওঠার গল্প এবং আপনার ছোটবেলা সম্পর্কে আমাদের একটু বলুন।

দীপা সিং: আমার নাম দীপা সিং। আমার ছোটবেলার কথা বলতে গেলে, আমার প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয়েছিল ব্র্যাক স্কুল থেকে। স্কুলটি আমাদের বাড়ি থেকে বেশ দূরে ছিল, প্রায় আধা ঘণ্টা হেঁটে যেতে হতো। আমাদের চা বাগান অঞ্চলের শিক্ষার মান বা পারিপার্শ্বিক অবস্থা তখন অতটা ভালো ছিল না। কিন্তু আমার বাবা-মায়ের খুব ইচ্ছা ছিল আমি যেন ভালো পড়াশোনা করি। এরপর আমি মুন্সিবাজার কালীপ্রসাদ উচ্চবিদ্যালয় থেকে হাইস্কুলের পড়াশোনা শেষ করি এবং পরবর্তীতে কলেজ গণ্ডি পার করি।

আপনার এই পথচলা যে বেশ কঠিন ও সংগ্রামের ছিল, তা বোঝাই যাচ্ছে। আপনি যখন উচ্চমাধ্যমিক পাস করলেন, তখন কি এই এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের মতো কোনো আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন দেখতেন? নাকি আগে থেকেই এই প্রতিষ্ঠানের কথা জানতেন?

দীপা সিং: সত্যি বলতে আপু, আমি যখন হাইস্কুলে পড়তাম, তখন ‘বিশ্ববিদ্যালয়’ বা ইউনিভার্সিটি সম্পর্কে আমার কোনো ধারণাই ছিল না। আমি ভাবতাম সরকারি কলেজগুলো থেকেই মানুষ অনার্স কমপ্লিট করব। কলেজে ওঠার পর যখন প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে জানতে পারি, তখন মনে মনে স্বপ্ন জাগে যে আমিও কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ব। আমি এইচএসসির পাশাপাশি প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করি। কিন্তু প্রথমবার আমার কাঙ্ক্ষিত জায়গায় সুযোগ হয়নি, তাই মৌলভীবাজার সরকারি কলেজে ভর্তি হয়ে যাই। তবে মনের ভেতরের সেই স্বপ্নটা মরেনি। আমি দ্বিতীয়বার চেষ্টা করি এবং ঈশ্বরের কৃপায় সুযোগ পেয়ে যাই।