২৪ অক্টোবর সকালে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার দীঘি ইউনিয়নের ভাটবাউর গ্রামে ওই পরিবারের বাড়িতে গিয়ে একটি সেলাই মেশিন, চাল

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রথম আলোর মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি আবদুল মোমিন, বন্ধুসভার উপদেষ্টা আমজাদ হোসেন, সভাপতি চাঁন মিয়া, সাধারণ সম্পাদক লিটন মিয়া, সহসভাপতি সৌরভ মাহমুদ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাকছুদুর রহমানসহ অন্য বন্ধুরা।

পরিবার ও প্রতিবেশীরা জানান, মৃত হজরত আলী ও বৃদ্ধা জহুরা বেগমের পাঁচ মেয়ে ও তিন ছেলের মধ্যে চার সন্তানই খর্বাকৃতির। তাঁরা হলেন মোছা. হাবিয়া (৬৪), মেহেরজান (৫৮), ইজ্জত আলী (৫২) ও সিরাজ আলী (৪৮)। তাঁদের প্রত্যেকেই জন্মের সাত থেকে আট বছরের মধ্যে জ্বরে আক্রান্ত হন। এরপর তাঁদের শারীরিক পরিবর্তন হয়। সে সময় গ্রামের কবিরাজের কাছে চিকিৎসা করানো হলেও অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি।

চার ভাই-বোনের মধ্যে শুধু ইজ্জত আলী বিয়ে করেছেন। অন্যরা অবিবাহিত। দুই বোনকে নিয়ে পরিবারটি বিপাকে রয়েছে। তাঁরা একা চলাফেরা করতে পারেন না। পরিবারের অন্যদের সহযোগিতায় তাঁদের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে আনা–নেওয়া করা হয়।

স্থানীয় নারী নেত্রী ঝর্ণা আক্তার বলেন, চার ভাইবোনের মধ্যে মেহেরজান কিছুটা সেলাইয়ের কাজ জানেন। ফলে সেলাই মেশিনটি তাঁর জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নিজের জানা কাজটি করার সুযোগ পেলে এর মাধ্যমে আয় করার সম্ভাবনাও তৈরি হবে। এতে পরিবারের আর্থিক সংকট মোকাবিলায় কিছুটা হলেও ভূমিকা রাখা সম্ভব হতে পারে।

মানিকগঞ্জ বন্ধুসভার একটি ভালো কাজ।সেলাই মেশিন পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেন পরিবারের সদস্যরা। ইজ্জত আলী বলেন, তাঁদের কাছে এ সহায়তা শুধু একটি যন্ত্র কিংবা নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী পাওয়ার বিষয় নয়; বরং তাঁদের প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করে কেউ পাশে দাঁড়িয়েছেন, সেটিও তাঁদের জন্য আনন্দের।