বাজারের ইজারা নিয়ন্ত্রণ, সারের ডিলার নিয়োগ, ইমাম-খতিবের ভাতা, কৃষক ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ তালিকা প্রণয়নসহ সরকারি সব সেবা নিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের মারামারিতে দেশে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামী।

সোমবার রাজধানীর মগবাজারে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সারের বিতরণ এবং কৃষক ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ তালিকা করা নিয়ে ইউএনও অফিসে হামলা করছে। দেশ চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে চলছে।

গোলাম পরওয়ার বলেন, সব অপরাধে মদদ দিচ্ছে সরকারদলীয় নেতাকর্মী ও মন্ত্রীরা। সন্ত্রাসীরা সুযোগ পাচ্ছে সরকারের উপর লেভেল থেকে সিগন্যালে। অপরাধের সাথে জড়িত দলের লোকদের কথা বলে না সরকার বিরোধীদলের ওপর দায় চাপাতে চায়। এভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির সম্ভাবনা নেই। কারণ বেড়ায় খেত খাচ্ছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে পুলিশ ভেরিফিকেশন নিয়ে প্রশ্ন তুলে জামায়াত সেক্রেটারি বলেছেন, যুবদল, ছাত্রদল যারা করেছে বেছে বেছে তাদের নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। উদ্দেশ্য হচ্ছে- আগামী নির্বাচনে পোলিং অফিসার বাছাই।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে ব্যর্থ আখ্যা দিয়ে কড়া সমালোচনা করেছে জামায়াত। গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সরকারের সাত মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। প্রতিটি রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজ উদ্বেগ প্রকাশ করছে। এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্বাক। বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে নির্লজ্জভাবে সারাদেশেকে নিয়ন্ত্রণে সিন্ডিকেট করার ফ্যাসিবাদী উপায় বেছে নিয়েছে। এতে সন্ত্রাস বাড়ছে।

বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের আসনে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যদের খবরদারিকে অগণতান্ত্রিক বলে আখ্যা দেন গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেছেন, নির্বাচিত এমপিদের উপর অনির্বাচিত সংরক্ষিত মহিলা এমপিদের খবরদারি করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নির্বাচিত এমপিদের ডিও লেটার বাদ দিয়ে, সংরক্ষিত মহিলা এমপিদের ডিও লেটার দিয়ে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, যা অতীতে ছিল না।