বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬Loginবন্ধুদের লেখাকার্যক্রমফিচারখেলাক্যারিয়ারমনোবন্ধুফটো ফিচারবন্ধুসভা সম্পর্কে কার্যক্রমগোবিপ্রবি বন্ধুসভার ভার্চ্যুয়াল পাঠচক্রে ‘পথের পাঁচালী’লেখা: গালিবা সোয়ারাপ্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭: ০০ গোবিপ্রবি বন্ধুসভার ভার্চ্যুয়াল পাঠচক্রের আসর।বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস ‘পথের পাঁচালী’ নিয়ে ভার্চ্যুয়ালি পাঠচক্রের আসর করেছে গোবিপ্রবি বন্ধুসভা। ১৯ অক্টোবর রাত ৯টায় গুগল মিটে এই আসর অনুষ্ঠিত হয়।

শুরুতেই হিন্দু ধর্মাবলম্বী বন্ধুদের শারদীয় দুর্গাপূজার অষ্টমীর শুভেচ্ছা জানানো হয়। এরপর শুরু হয় পাঠচক্র। ব্যস্ত ক্যাম্পাসের কোলাহল পেরিয়ে গ্রামের শান্ত পরিবেশে ফিরে আসা বন্ধুদের কাছে ‘পথের পাঁচালী’ যেন আরও আপন হয়ে ওঠে। উপন্যাসের অপু-দুর্গার গ্রামীণ জীবন, প্রকৃতির সঙ্গে তাদের নিবিড় সম্পর্ক, ছোট ছোট আনন্দ আর ভাই-বোনের মধুর বন্ধন—সবকিছুই বন্ধুদের চারপাশের চেনা গ্রামীণ জীবনের সঙ্গে মিলে যায়।

পাঠচক্রে উঠে আসে ছোট ছোট বিষয়ের মধ্যে আনন্দ খুঁজে পাওয়ার কথা। আধুনিক জীবনে বড় বড় প্রাপ্তির পেছনে ছুটতে গিয়ে আমরা যে সহজ আনন্দগুলো হারিয়ে ফেলছি, অপু-দুর্গার শৈশব যেন সেই কথাই মনে করিয়ে দেয়। প্রকৃতির সান্নিধ্য, বৃষ্টিতে ভেজা কিংবা ভাইবোনের আনন্দময় মুহূর্তগুলো যে জীবনের অমূল্য সম্পদ, উপন্যাসটি সেই উপলব্ধি জাগিয়ে তোলে।

সভাপতি আহনাফ শাহরিয়ার বলেন, ‘দারিদ্র্যের মধ্যেও ছোট ছোট বিষয়কে ঘিরে সুখী হওয়া যায়। অপু ও দুর্গার জীবন আমাদের সেই শিক্ষাই দেয়। জীবনের প্রকৃত আনন্দ অনেক সময় ছোট ছোট মুহূর্তের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে।’

সাধারণ সম্পাদক আল-আমীন শেখ বলেন, ‘শত ব্যস্ততার মধ্যেও গ্রামীণ জীবন আমাদের টানে। গ্রামের শান্ত, নিরিবিলি পরিবেশ শিকড়ের কথা মনে করিয়ে দেয়। “পথের পাঁচালী”র মতো সাহিত্যকর্মের মধ্য দিয়ে আমরা সেই চেনা জীবন ও প্রকৃতিকে নতুন করে অনুভব করতে পারি।’

পাঠচক্রে আরও যুক্ত ছিলেন গোবিপ্রবি বন্ধুসভার কার্যনির্বাহী সদস্য সিদরাতুল মুনতাহা, মেহেরাব হোসেন, জামিল ইসলামসহ অন্যান্য বন্ধুরা।