গাইবান্ধায় প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র পাননি ৪১ জন। আজ রোববার বাদ পড়া প্রার্থীরা জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ৪৫৬ জন চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। এর মধ্যে ৮ জন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেননি এবং ৪১ জনকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ৪০৭ জনের তালিকা রয়েছে।

সুপারিশপ্রাপ্ত ওই ৪০৭ জনের মধ্যে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ৭৯ জন, সাঘাটা উপজেলার ৩৭ জন, সাদুল্লাপুর উপজেলার ৫৪ জন, ফুলছড়ি উপজেলার ৫৯ জন, পলাশবাড়ী উপজেলার ৫৮ জন, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ৮২ জন ও সদর উপজেলার ৩৮ জন রয়েছেন।

যারা বাদ পড়েছেন তাদের মধ্যে একজন ফুলছড়ি উপজেলার বাসিন্দা আশিকুর রহমান। তিনি গাইবান্ধা সরকারি কলেজ থেকে ইংরেজি বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাস করেছেন। তিনি বলেন, ‘ফুলছড়ি উপজেলা থেকে আমরা ৬৫ জন মেধাতালিকায় চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলাম। অথচ পরে জানতে পারলাম, আমিসহ ৬ জনকে তালিকা থেকে বাদ দিয়ে ৫৯ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি বা আমার পরিবারের কোনো সদস্য কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নই। আমার বিরুদ্ধে কোনো রাজনৈতিক বা ফৌজদারি মামলা নেই। আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা, সনদপত্র ও অন্যান্য কাগজপত্রেও কোনো ত্রুটি নেই। পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে আমাকে নিয়োগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।’

সাদুল্লাপুর উপজেলার রিয়াদুস সালেহীন সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও বাদ পড়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নই। সম্পূর্ণ মেধা ও যোগ্যতায় এ পর্যন্ত এসেছি। আমাকে কেন বাদ দেওয়া হলো, দেশের নাগরিক হিসেবে আমার এতটুকু জানার অধিকার আছে।’