ইতালির রোমে কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থায় ওয়ান হেলথ কার্যক্রমের জন্য বৈশ্বিক সম্মেলনের পার্শ্ব অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

ছাগল ও ভেড়ার ভাইরাসজনিত রোগ পিপিআর এবং গবাদিপশুর ভাইরাসজনিত রোগ এফএমডি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তবে সীমান্ত অতিক্রমকারী প্রাণিরোগ হওয়ায় এসব রোগ দীর্ঘমেয়াদে নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল কোনো একক দেশের পক্ষে সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, এসব রোগ নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূলে বিশ্ব প্রাণিস্বাস্থ্য সংস্থা, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও), উন্নয়ন সহযোগী এবং আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে টেকসই অর্থায়ন, কারিগরি সহায়তা ও শক্তিশালী আঞ্চলিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

মঙ্গলবার ইতালির রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা আয়োজিত ‘কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থায় ওয়ান হেলথ কার্যক্রমের জন্য বৈশ্বিক সম্মেলন’-এর একটি পার্শ্ব অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। ‘ওয়ান হেলথ এবং সীমান্ত অতিক্রমকারী প্রাণিরোগ প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূলের মাধ্যমে কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থার রূপান্তর’ শীর্ষক ওই আলোচনায় প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের বিভিন্ন উদ্যোগ ও অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে আরও জোরালো টিকাদান এবং সক্রিয় নজরদারি জোরদারের সুপারিশ করেছে বিশ্ব প্রাণিস্বাস্থ্য সংস্থা। বাংলাদেশ এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে ছাগল ও ভেড়ার পিপিআর রোগমুক্ত দেশের মর্যাদা অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি বলেন, বিশ্ব প্রাণিস্বাস্থ্য সংস্থার বৈশ্বিক কৌশল এবং ২০২৪ থেকে ২০২৮ মেয়াদের জাতীয় কৌশলগত পরিকল্পনার আওতায় সারা দেশে ছাগল ও ভেড়ার পিপিআর টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করছে বাংলাদেশ। রোগের নজরদারি কার্যক্রমে কোনো প্রাদুর্ভাব শনাক্ত না হওয়ায় ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পিপিআর নির্মূল কর্মসূচির নথি বিশ্ব প্রাণিস্বাস্থ্য সংস্থার কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।