শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬Loginবন্ধুদের লেখাকার্যক্রমফিচারখেলাক্যারিয়ারমনোবন্ধুফটো ফিচারবন্ধুসভা সম্পর্কে ফিচারকীভাবে একটি আইডিয়া হয়ে ওঠে সফল কনটেন্টপ্রথম আলো বন্ধুসভা ও অল ব্রডকাস্টার্স কমিউনিটির (এবিসি) যৌথ উদ্যোগে অনলাইনে চলছে উপস্থাপনাবিষয়ক বিশেষ কর্মশালা। ‘প্রেজেন্টেশন অ্যান্ড বিয়ন্ড’ শিরোনামে কর্মশালার দ্বিতীয় সেশন অনুষ্ঠিত হয় ১৬ সেপ্টেম্বর। এতে ‘ভ্লগিং ও উপস্থাপনা’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন বাপকা বেটার প্রতিষ্ঠাতা শুভাশিস ভৌমিক। এই লেখা তাঁর বক্তব্যের প্রতিলিপি। সঞ্চালনা করেন বন্ধুসভা জাতীয় পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক সাইমুম মৌসুমী বৃষ্টি।
শুভাশিস ভৌমিকআমার কাছে কনটেন্ট তৈরি হলো কোনো আইডিয়া, গল্প, তথ্য, অভিজ্ঞতা বা অনুভূতিকে এমনভাবে উপস্থাপন করা, যাতে দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণ করা যায়। আপনি মানুষকে হাসাতে পারেন, সেটা এন্টারটেইনমেন্ট। শেখাতে পারেন, ইনফোটেইনমেন্ট। আপনার চিন্তা বা ভাষার মাধ্যমে কাউকে অনুপ্রাণিত করতে পারেন, সেটা মোটিভেশনাল কনটেন্ট। বাস্তব জীবনের সঙ্গে কোনো বিষয়কে রিলেট করাতে পারেন, সেটা লাইফস্টাইল কনটেন্ট।
আবার মানুষকে কোনো বিষয় অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করতে, কমেন্ট করতে বা কোনো অ্যাকশনে যেতে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন। কোনো পণ্য দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে কেউ সেটি কিনে ফেললে সেটাও একধরনের মার্কেটিং কনটেন্ট।
অর্থাৎ কনটেন্ট আপনাকে কিছু অনুভব করায়, ভাবায় এবং কখনো কোনো অ্যাকশন নিতে বাধ্য করে। এটাই কনটেন্ট ক্রিয়েশন।সংক্ষেপে বললে, কনটেন্ট হলো মনোযোগ আকর্ষণ + বিশ্বাস + ইনফ্লুয়েন্স + প্রভাব।
তবে শুধু মনোযোগ আকর্ষণ করলেই হবে না। মনোযোগ কখনোই বিশ্বাসে রূপান্তরিত হবে না, যদি আপনি পারসোনাল ব্র্যান্ডিং তৈরি করতে না পারেন। সেই জায়গাটা অর্জন করতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, আপনার কনটেন্ট দর্শকের মধ্যে কী ধরনের প্রভাব ফেলছে।
কনটেন্ট তৈরির আগে সমস্যাটা বুঝুনপ্রতিটি কনটেন্ট তৈরির আগে প্রথমেই বুঝতে হবে সমস্যাটা কী। আপনি কোন সমস্যা নিয়ে কথা বলতে চাইছেন এবং দর্শক আসলে কোন সমস্যাটিকে সমস্যা হিসেবে দেখছেন, সেটা বুঝতে হবে। এরপর সেই সমস্যাকে কেন্দ্র করে কনসেপ্ট তৈরি করতে হবে।